হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতার তথ্যে গরমিল, পদ হারানোর ঝুঁকিতে এমপি মাহবুবা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়ে তথ্যের গরমিলের অভিযোগ উঠেছে। তাঁর হলফনামায় আইন বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রির তথ্য…
মেলবোর্ন, ৪ জানুয়ারি- সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেট (আইএস) গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যৌথ হামলা চালিয়েছে ব্রিটেন ও ফ্রান্স। দুই দেশ জানিয়েছে, জঙ্গিগোষ্ঠীটি যেন আবার শক্তি সঞ্চয় করতে না পারে, সেই লক্ষ্যেই এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
রোববার দেওয়া পৃথক বিবৃতিতে লন্ডন ও প্যারিস জানায়, হামলাটি যুক্তরাষ্ট্র-নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক সামরিক উদ্যোগ ‘অপারেশন ইনহেরেন্ট রিসলভ’-এর অংশ। এই অভিযানের আওতায় ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সামরিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার রাতে ফ্রান্সের সঙ্গে সমন্বয়ে রয়েল এয়ার ফোর্স সিরিয়ার একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় বোমা হামলা চালায়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই স্থাপনাটি আইএস অস্ত্র ও বিস্ফোরক মজুদের কাজে ব্যবহার করত।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, অভিযানে দাইশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। স্থাপনাটির আশপাশে কোনো বেসামরিক বসতি ছিল না এবং হামলায় সাধারণ মানুষের ক্ষতির কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। পালমিরার প্রাচীন নগরীর উত্তরে চালানো এই হামলাও বেসামরিক ঝুঁকি ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
ফরাসি সশস্ত্র বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানায়, ন্যাটোর এই দুই মিত্র দেশ যৌথভাবে আইএসের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, দাইশের পুনরুত্থান ঠেকানো শুধু সিরিয়ার জন্য নয়, পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
২০১৯ সালে সিরিয়ায় ভৌগোলিকভাবে পরাজিত হলেও আইএস এখনো পুরোপুরি নির্মূল হয়নি। বিশেষ করে দেশটির বিস্তীর্ণ মরুভূমি এলাকায় গোষ্ঠীটির বিচ্ছিন্ন উপস্থিতি রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারণা।
এই প্রেক্ষাপটে আইএসকে পুনরায় সংগঠিত হতে না দেওয়াই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অগ্রাধিকার হয়ে উঠেছে। সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, যিনি একসময় জিহাদি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ অপসারণের পর দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি জোরদার করার চেষ্টা করছেন।
ইউনেস্কো স্বীকৃত ঐতিহাসিক নগর পালমিরা একসময় আইএসের নিয়ন্ত্রণে ছিল। গত মাসে সেখানে এক আইএস বন্দুকধারীর হামলায় দুই মার্কিন সেনা ও এক মার্কিন বেসামরিক নাগরিক নিহত হন। ওই ঘটনার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় আইএসের ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালিয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক এই যৌথ অভিযান দেখাচ্ছে যে আইএসকে ঘিরে পশ্চিমা দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগ এখনো কাটেনি এবং সিরিয়ায় গোষ্ঠীটির যেকোনো পুনরুত্থান ঠেকাতে তারা সক্রিয় ভূমিকা রাখতে প্রস্তুত।
সুত্রঃ এএফপি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au