আতঙ্কে রাতে আত্মীয়দের বাড়িতে থাকছেন মানিক পশারীর মেয়ে ও বোন
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সরাসরি কারও কাছ থেকে হুমকি না পেলেও…
মেলবোর্ন, ৭ জানুয়ারি- ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনে বিনা টিকিটে ভ্রমণকারীদের টিকিট কাটতে বলায় এক ট্রাভেলিং টিকিট এক্সামিনারকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ছাত্র পরিচয়ধারী কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে ওঠা এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর ভৈরব এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে ভৈরব রেলওয়ে স্টেশন এলাকায়। ভৈরব স্টেশন মাস্টার মো. ইউসুফ জানান, ভাইরাল ভিডিও ও সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভিযুক্তরা ভৈরব এলাকার বাসিন্দা নন।
রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চট্টগ্রামগামী চট্টলা এক্সপ্রেস বিমানবন্দর স্টেশন অতিক্রম করার পর টিটিই তানজিম ফরাজি টিকিট তল্লাশি শুরু করেন। ট্রেনের ‘খ’ বগিতে থাকা ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী নিজেদের ছাত্র পরিচয় দিয়ে টিকিট না থাকার কথা জানান। এ নিয়ে টিটিইর সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ওই দলের সঙ্গে থাকা এক মধ্যবয়সী যাত্রীর কাছ থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত ২২০ টাকা ভাড়া আদায় করলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ট্রেনটি ভৈরব স্টেশনে পৌঁছালে ডিউটি শেষে নামাজের জন্য নামার সময় টিটিই তানজিম ফরাজির ওপর হামলা চালানো হয়। ছাত্রবেশী যুবকেরা তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন এবং স্টেশন এলাকাতেই এলোপাতাড়ি মারধর ও শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী টিটিই তানজিম ফরাজি বলেন, অভিযুক্তরা দাবি করছিল ছাত্রদের টিকিট লাগে না। অন্য এক যাত্রীর ভাড়া আদায় করায় তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমার ওপর চড়াও হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভৈরব রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাঈদ আহমেদ জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশ অবগত রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রেলওয়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ট্রেনে টিকিট তল্লাশির সময় কর্মীদের সুরক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন যাত্রীরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au