বিদায়ের সুরে বিষণ্ন দশমী, আগামী শরতে ফেরার অপেক্ষা
আনন্দ, উচ্ছ্বাস, উৎসবের রঙ আর বিদায়ের বিষণ্নতা মিশ্রিত আবহে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। বুধবার (২১ অক্টোবর)…
মেলবোর্ন ১ মার্চ-ম্যাচটি ছিল রীতিমতো নাটকীয়তায় ভরা। তাওহীদ হৃদয়ের সেঞ্চুরি আর তানজিদ তামিমের ঝকঝকে ৯২ রানে ৭ উইকেটে ৩২২ রান তুলেছিল নর্থ জোন। স্কোরবোর্ডে এমন সংগ্রহ উঠলে সাধারণত ম্যাচ হাতছাড়া হয় না। নর্থ জোনও তাই ভেবেছিল।
কিন্তু ক্রিকেট যে চরম অনিশ্চয়তার খেলা, সেটা আবারও প্রমাণ করলেন জিসান আলম।
৩২৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সেন্ট্রাল জোনের। দ্রুতই ফিরে যান নাঈম শেখ ও সাইফ হাসান। চাপের মুখে পড়া দলকে টেনে তোলেন জিসান ও মাহফিজুল ইসলাম রবিন।
তৃতীয় উইকেটে তাদের ৯৪ রানের জুটি ম্যাচে ফেরায় সেন্ট্রালকে। জিসান ছিলেন দারুণ আত্মবিশ্বাসী। ৯৩ বলে ১৬ চার ও ৫ ছক্কায় ১২৭ রানের অসাধারণ ইনিংস খেলেন তিনি। এটিই তার প্রথম লিস্ট ‘এ’ সেঞ্চুরি।
রবিন ৫৪ রান করে আউট হলে আবারও দোলাচলে পড়ে সেন্ট্রাল। ২৭৮ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ম্যাচ তখন অনেকটাই নর্থ জোনের দিকে হেলে ছিল। কিন্তু সেখানেই মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের আগ্রাসী ব্যাটিং ম্যাচের চিত্র পাল্টে দেয়। মাত্র ২৬ বলে ৫৪ রানের ঝড় তুলে শেষ ওভারে ২ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে সেন্ট্রাল জোন।
নর্থ জোনের হয়ে রিশাদ হোসেন ৩টি উইকেট নেন।
মেহরাব হোসেন ও শরিফুল ইসলাম দুটি করে উইকেট পান, একটি উইকেট নেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে নর্থ জোন। সেখান থেকে তানজিদ হাসান ও তাওহীদ হৃদয় ১৩৫ রানের জুটি গড়ে দলকে বড় সংগ্রহের ভিত দেন। তানজিদ ৯২ বলে ৯২ রান করে সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়েও থামেন। হৃদয় শুরুতে ধীর থাকলেও সময়ের সঙ্গে গতি বাড়ান। ১১৩ বলে ১০২ রানের ইনিংসে ছিল ৮টি চার। শেষ দিকে সাব্বির রহমান ৫১ বলে ৭৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন, যা নর্থ জোনকে পৌঁছে দেয় ৩২২ রানে।
তবে এই হার নর্থ জোনের খুব একটা ক্ষতি করেনি। কারণ আগামী রবিবার ফাইনালে আবারও সেন্ট্রাল জোনের মুখোমুখি হবে তারা। তার আগে আজকের এই লড়াই যেন সেই বড় ম্যাচের ড্রেস রিহার্সেল হয়ে থাকল।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au