শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে: জয়
মেলবোর্ন, ৫ আগষ্ট: আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। সোমবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ…
মেলবোর্ন, ৪ আগস্ট: অস্ট্রেলিয়ার আবাসন বাজারে বড় ধরনের মূল্যপতনের ফলে ৩৪ হাজারের বেশি গৃহমালিক এখন নেগেটিভ ইকুইটির ঝুঁকিতে পড়েছেন। নতুন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মাত্র চার মাসে দেশটির আবাসন বাজারের মোট মূল্য প্রায় ২৩০ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার কমে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কর নীতির পরিবর্তন, উচ্চ সুদের হার এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ধীরগতির কারণে সৃষ্ট এই পরিস্থিতি সাম্প্রতিক দশকগুলোর মধ্যে অন্যতম বড় ধাক্কা।
সম্প্রতি প্রকাশিত প্রপট্র্যাক (PropTrack)-এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার মোট আবাসন বাজারের মূল্য ১২ দশমিক ৭৭ ট্রিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার থেকে কমে ১২ দশমিক ৫৪ ট্রিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলারে নেমে এসেছে। মাত্র চার মাসের ব্যবধানে এই বড় পতন দেশটির সম্পত্তি বাজারে উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বর্তমানে প্রায় ৩৪ হাজার অস্ট্রেলীয় গৃহমালিক এমন অবস্থায় রয়েছেন, যেখানে তাদের বাড়ির বর্তমান বাজারমূল্য বকেয়া ঋণের পরিমাণের চেয়েও কম। অর্থনীতির ভাষায় এই অবস্থাকে নেগেটিভ ইকুইটি বলা হয়। এতে বাড়ি বিক্রি করলেও ঋণ পুরোপুরি পরিশোধ করা সম্ভব হয় না, ফলে অনেক পরিবার আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঝুঁকিতে থাকা এসব সম্পত্তির সম্মিলিত মূল্য প্রায় ২ দশমিক ২ বিলিয়ন অস্ট্রেলীয় ডলার। বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন বাজারে মূল্যপতন অব্যাহত থাকলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে উচ্চ সুদের হার, কর ব্যবস্থার পরিবর্তন, বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়া এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধীরগতির কারণে আবাসন বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এর ফলে অনেক এলাকায় বাড়ির দাম দ্রুত কমছে।
একই সময়ে সরকার পরিচালিত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে হাজার হাজার তরুণ প্রথমবারের মতো বাড়ি কেনার সুযোগ নিচ্ছেন। তবে বাজারে মূল্যপতনের কারণে নতুন ক্রেতাদের একটি অংশও ভবিষ্যতে নেগেটিভ ইকুইটির ঝুঁকিতে পড়তে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিশ্লেষকরা।
আবাসন খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সুদের হার, কর্মসংস্থান পরিস্থিতি এবং অর্থনীতির সামগ্রিক গতি আগামী মাসগুলোতে আবাসন বাজারের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে নীতিনির্ধারকদের কার্যকর পদক্ষেপের পাশাপাশি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদেরও সতর্ক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
সুত্রঃ নিউজ.কম
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au