অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। ছবি: সংগৃহীত
ওটিএন বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশের জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সার্বজনীন মানবাধিকারের পক্ষে অস্ট্রেলিয়া কথা বলে যাবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং।
অস্ট্রেলিয়ার সংসদ সদস্য জুলিয়ান লিসারকে লেখা এক জবাবে তিনি এ কথা জানান। বাংলাদেশে হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর আটক নিয়ে অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেশন ফর এথনিক অ্যান্ড রিলিজিয়াস মাইনরিটিজ ইন বাংলাদেশ (Australian Federation for Ethnic and Religious Minorities in Bangladesh) এর উদ্বেগের বিষয়ে গত ১৯ আগস্ট, ২০২৬ লিসার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছিলেন।
জবাবে পেনি ওং বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুসহ জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসকারী বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সদস্যদের জন্য গভীর উদ্বেগের বিষয়।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে বাংলাদেশে সিভিল আনরেস্টের পর থেকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার রক্ষার প্রয়োজনীয়তা অস্ট্রেলিয়া বারবার তুলে ধরেছে। ক্যানবেরায় বাংলাদেশ হাইকমিশন, ঢাকায় বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের এবং বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীদের কাছেও অস্ট্রেলিয়ার উদ্বেগ জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের মানবাধিকারের পক্ষে অস্ট্রেলিয়া কথা বলে যাবে বলে সংসদ সদস্য জুলিয়ান লিসারকে লেখা এই চিঠিতে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং।
চিঠির শেষ বাক্যে পেনি ওং বলেন, “বাংলাদেশের জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের সার্বজনীন মানবাধিকারের পক্ষে অস্ট্রেলিয়া কথা বলে যাবে।” তবে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর আটক বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা জবাবে উল্লেখ করা হয়নি।