দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, বাড়ল হিন্দু-বৌদ্ধদের উৎসবের অনুদানও
বাংলাদেশে এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য টানা পাঁচ দিনের ছুটির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মহানবমী ও বিজয়া দশমীর নির্ধারিত দুই দিনের ছুটির সঙ্গে ২২…
ব্রিসবেনে রোমাঞ্চকর এক প্রীতি ম্যাচে প্রথমে এগিয়ে গিয়েও পরে পিছিয়ে পড়েছিল ব্রাজিল। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়াকে ৪-২ গোলে হারিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচে ব্রাজিলের হয়ে গোল করেছেন ভান্দেরসন, রাফিনহা, ব্রুনো গুইমারেস ও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ব্রাজিল। কিক-অফের পর দ্রুত আক্রমণে উঠে তৃতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় তারা। বক্সের প্রান্তে জায়গা পেয়ে শক্তিশালী ভলিতে গোল করেন ব্রাজিলের ফুলব্যাক ভান্দেরসন। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ ডাইভ দিয়েও বলটি ঠেকাতে পারেননি।
গোল হজমের পর অবশ্য দ্রুত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে অস্ট্রেলিয়া। একের পর এক আক্রমণ চালালেও ব্রাজিলের গোলরক্ষকের সামনে সফল হতে পারছিল না তারা। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচও ব্রাজিলের কয়েকটি ভালো আক্রমণ দুর্দান্ত সেভে প্রতিহত করেন।
২৮ মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরায় অস্ট্রেলিয়া। কনর মেটকাফের নেওয়া কর্নার ব্রাজিলের এক ডিফেন্ডারের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে। সেই বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোল করেন আলেসান্দ্রো সিরকাতি। ফলে ১-১ সমতায় ফিরে আসে ম্যাচ।
এর মাত্র পাঁচ মিনিট পরই ম্যাচে নাটকীয় মোড় নেয়। বক্সের বাইরে ফাঁকা জায়গা পেয়ে শক্তিশালী শটে গোল করেন কনর মেটকাফ। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়া।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে অবশ্য আবারও সমতায় ফেরে ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হ্যারি সাউটার ঝুঁকিপূর্ণ ট্যাকেলে দানিলোকে ফেলে দিলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে ২-২ সমতায় ফেরান ব্রাজিলের অধিনায়ক রাফিনহা।
দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচে উত্তেজনা কমেনি। অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক হ্যারি সাউটারের ওপর ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড এনদ্রিকের একটি বেখাপ্পা ট্যাকেলকে কেন্দ্র করে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। কিছুক্ষণ উত্তেজনা চলার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এরপর ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ব্রাজিল। ম্যাচ শেষ হওয়ার প্রায় ২০ মিনিট আগে আবারও এগিয়ে যায় তারা। বক্সের ভেতরে বল কাটব্যাক করেন এনদ্রিক। সেই বল পেয়ে বাঁ পায়ের নিখুঁত শটে গোল করেন ব্রুনো গুইমারেস। ফলে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
এরপর অস্ট্রেলিয়ার ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আরও কঠিন করে দেয় ব্রাজিল। বক্সের মধ্যে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রকে ফেলে দেন নেস্টরি ইরানকুন্ডা। ফলে পেনাল্টি পায় ব্রাজিল। স্পট কিক থেকে গোল করে দলের জয় প্রায় নিশ্চিত করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। তার গোলে ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ৪-২ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। তবে হারলেও অস্ট্রেলিয়ার পারফরম্যান্স ছিল প্রশংসনীয়। ব্রাজিলের বিপক্ষে আগের ১০ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া যত গোল করেছিল, এবার এক ম্যাচেই সেই সংখ্যায় পৌঁছে যায় সকারুজরা।
দুই ম্যাচের সিরিজের দ্বিতীয় লড়াইয়ে এই জয়ের মাধ্যমে ব্রাজিল নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিলেও অস্ট্রেলিয়া ম্যাচজুড়ে লড়াই করে দর্শকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au