মেলবোর্ন ৩০ জুন
নিজের সাবেক ক্লাবের কাছে অসহায় আত্মসমর্পন করলো লিওনেল মেসি। ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের জানান দিল ফরাসি জায়ান্ট প্যারিস সেন্ট-জার্মেই (পিএসজি)। আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে শেষ ষোলোতে ইন্টার মায়ামিকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে অনায়াসে কোয়ার্টার-ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে লুইস এনরিকের দল।
খেলার প্রথমার্ধেই চার গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচে জোড়া গোল করেন পর্তুগিজ মিডফিল্ডার জোয়াও নেভেস। একটি আত্মঘাতী গোলের পর চতুর্থ গোলটি করেন মরক্কোর তারকা আশরাফ হাকিমি। ম্যাচের সবগুলো গোলই হয়েছে প্রথমার্ধে।
দলীয় চেষ্টায় গড়া প্রথম গোলটি আসে ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটে। ভিতিনিয়ার ডানদিক থেকে বাড়ানো ক্রসে কোনাকুনি হেডে গোলটি করেন নেভেস। এরপর ৩৯ মিনিটে এক আক্রমণ থেকে আবারও বল পান তিনি, এবার ফাবিয়ান রুইসের পাসে বক্সে সুযোগ কাজে লাগান নির্ভারভাবে। এই গোলেই যেন ছন্দপতন ঘটে মায়ামির। ৪৪ মিনিটে তেমন কোনো হুমকি ছাড়াই আত্মঘাতী গোল উপহার দেন মিয়ামি’র আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার তমাস। প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে হাকিমি করেন দলের চতুর্থ গোলটি।
লিওনেল মেসির ইন্টার মায়ামি বলের নিয়ন্ত্রণে ছিল খুবই দুর্বল, প্রথমার্ধের গোলমুখে শট নেওয়ার সুযোগই পায়নি তারা। বিরতির পর খানিকটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে মেসির দল। ৫১ মিনিটে গোলের জন্য প্রথম শট নেন মেসি, তবে তা প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারে প্রতিহত হয়। এরপর আরও দুটি প্রচেষ্টা চালায় মায়ামি, কিন্তু গোলের জন্য তা যথেষ্ট ছিল না। পিএসজি তখনও বলের দখল রেখে খেলায় নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখে। দ্বিতীয়ার্ধে মায়ামি তুলনামূলক গোছানো ফুটবল খেললেও ব্যবধান আর কমাতে পারেনি। সেইসঙ্গে পিএসজিও দ্বিতীয়ার্ধে গোলের দেখা না পেলেও প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সেই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
এই জয়ে কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠে গেছে পিএসজি। সেখানে তারা মুখোমুখি হবে বায়ার্ন মিউনিখ ও ফ্ল্যামেঙ্গোর মধ্যকার বিজয়ী দলের সঙ্গে।