সর্বশেষ

শুল্কছাড় নিয়ে কিছু বিষয় অমীমাংসিত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আবার বসবে বাংলাদেশ

  • 6:34 pm - July 12, 2025
  • পঠিত হয়েছে:১৭০ বার
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের শুল্কছাড় নিয়ে দ্বিতীয় দফার বাণিজ্য আলোচনার তৃতীয় দিনে দুই দেশের প্রতিনিধিরা। ছবি: বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মোর্তজার সৌজন্যে

ঢাকা, ১২ জুলাই-

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের শুল্কছাড় সুবিধা পুনর্বহালের বিষয়ে চলমান আলোচনায় কয়েকটি বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে। তিন দিনের বৈঠক শেষে দুই দেশ পুরোপুরি একমত হতে না পারায় শিগগিরই আবার বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

শনিবার ওয়াশিংটন থেকে পাঠানো বাংলাদেশ দূতাবাসের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, দ্বিতীয় দফার বাণিজ্য আলোচনার শেষ দিনে আরও কিছু বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়েছে। তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এখনও সমঝোতা হয়নি। দুই দেশই সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নিজেদের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যায়ে আরও আলোচনা শেষে ফের বৈঠকে বসবে। ওই বৈঠক সরাসরি অথবা ভার্চুয়াল—যেকোনোভাবে হতে পারে। দ্রুতই তারিখ ও সময় নির্ধারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদল ওয়াশিংটনে আলোচনায় অংশ নেয়। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ তৈয়্যব ঢাকায় বসেই ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন। সরকারি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরাও ভার্চুয়ালি বৈঠকে অংশ নেন।

তিন দিনের আলোচনার পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান আশাবাদ প্রকাশ করেছেন যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি ইতিবাচক সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে। প্রতিনিধি দল প্রয়োজন হলে আবারও ওয়াশিংটনে যাবে বলে জানা গেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের শিল্প ও উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দেওয়া এবং বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর ওপর কেন্দ্রিত। তিনি বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে চীন থেকে আমদানি করা শত শত পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করেছেন। এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে স্থানীয় শিল্প ও কর্মসংস্থান রক্ষা করার কথা বলা হলেও, বিশ্ববাণিজ্যে উত্তেজনা ও অস্থিরতা তৈরি হয়।

ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, এই নীতি বিদেশি কোম্পানিগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রে কারখানা স্থাপন ও বিনিয়োগে উৎসাহিত করবে। তবে সমালোচকরা বলেছেন, এতে আমেরিকান ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য পণ্যের দাম বেড়ে যায় এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে চাপ সৃষ্টি হয়।

সামগ্রিকভাবে ট্রাম্পের শুল্ক নীতি ছিল ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ অর্থনৈতিক দর্শনের অংশ, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বার্থকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল।

এই শাখার আরও খবর

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে চাপে বাংলাদেশের প্রধান পোশাকশিল্প

বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ও বিদ্যুৎ ঘাটতিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প। সকাল ১১টা। ঢাকার উত্তরে আশুলিয়ায়…

নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলিতে মিলল বুলেট, সিসিটিভিতে গুলির শব্দ

মাগুরা পৌরসভার পারনান্দুয়ালী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেনের (৩৯) মাথার খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট পাওয়া গেছে। আজ বুধবার…

মাগুরায় নিহত যুবদল নেতার মাথার ভেতরে মিলল গুলি

ওটিএন বাংলা ডেস্ক : মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের মাথা থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা ২৫০…

পরিবারের দাবি, ফাঁসানো হয়েছে : চুম্বনের দাবিও নিশ্চিত নয়

ওটিএন বাংলা ডেস্ক: সৌদি আরবের মক্কা অঞ্চলে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনায় অভিযোগ, আদালতের রায় এবং বাংলাদেশকে আগে অবহিত না করার কারণ জানতে চেয়েছে…

এবার জার্মানিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক শিক্ষার্থীদের

  জার্মানিতে শিক্ষা ও সামাজিক খাতে ব্যয় সংকোচন, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় এবং বাধ্যতামূলক সামরিক নিয়োগের পরিকল্পনার প্রতিবাদে আগামী ৩১ অক্টোবর দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থী…

বিজয়া দশমীতে সিঁদুরের রঙে আনন্দ, দেবী বিদায়ে বিষাদ

ওটিএন বাংলা ডেস্ক :  ছয় দিনের পূজা-অর্চনা শেষে বিদায়ের পালা দেবী দুর্গার। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে শেষ অর্ঘ্য নিবেদন, দর্পণ বিসর্জন ও ঘট বিসর্জনের মধ্য…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au