যন্তরমন্তরে আন্দোলন না করার শর্তে মুক্তি পেলেন ককরোচের দুই নেতা
দিল্লির যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে আর কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি বা সমাবেশের আয়োজন না করার প্রতিশ্রুতিতে সাত দিন পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ…
মেলবোর্ন, ১৪ জুলাই-
মিয়ানমারের ভেতরে ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট অফ আসাম (উলফা)-এর ঘাঁটিতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় অন্তত তিনজন সিনিয়র নেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে উলফা। তবে ভারতের সেনাবাহিনী এই ধরনের কোনো হামলার কথা অস্বীকার করেছে। খবর দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর।
উলফার (আই) শাখা জানিয়েছে, রোববার (১৩ জুলাই) ভোর রাত ২টা থেকে ৪টার মধ্যে ভারত-মিয়ানমার সীমান্তের কয়েকটি শিবিরে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। এতে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নয়ন মেধি ওরফে নয়ন আসম নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হন।
দলের দাবি অনুযায়ী, নয়ন আসমের শেষকৃত্যের সময় আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্রিগেডিয়ার গণেশ আসম ও কর্নেল প্রদীপ আসম নিহত হন। ঘটনার পর উলফার সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট ঈশান আসম এক বিবৃতিতে বলেন, ‘দখলদার বাহিনী যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা এই নৃশংস আক্রমণের প্রতিশোধ নিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’
এদিকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, আসাম পুলিশ এর সঙ্গে যুক্ত নয় এবং আসামের মাটি থেকে কোনো ধরনের অভিযান চালানো হয়নি। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের অভিযানের কোনো তথ্য নেই।
পরেশ বড়ুয়ার নেতৃত্বাধীন উলফা (আই) আসামের পূর্ণ স্বাধিকার চায় এবং আসামের সার্বভৌমত্ব নিয়ে আলোচনা ছাড়া কোনো শান্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেয় না। যদিও উলফার আরেকটি অংশ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় শান্তিচুক্তি করেছে, কিন্তু বড় অংশ এখনো সশস্ত্র লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনী সাধারণত এই ধরনের অভিযানের পর আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়, কিন্তু এ বিষয়ে এখনও কোনো বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।
সুত্রঃ দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au