নারায়ণগঞ্জে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ফকির জহির রহমান (৪০) নামের এক যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ…
দিল্লির যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে আর কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি বা সমাবেশের আয়োজন না করার প্রতিশ্রুতিতে সাত দিন পর মুক্তি পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার (২১ অক্টোবর) দিল্লির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁদের শর্তসাপেক্ষে মুক্তির আদেশ দেন।
এর আগে দিল্লি হাইকোর্টে শুনানির সময় আদালত দুই নেতার কাছে জানতে চান, আন্দোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তাঁরা কেন যন্তরমন্তরে গিয়েছিলেন। সেখানে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সে প্রশ্নও তোলেন আদালত। জবাবে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ভবিষ্যতে যন্তরমন্তরে আর কোনো সমাবেশের ডাক দেবেন না বলে অঙ্গীকার করেন। পরে তাঁদের মুক্তির আদেশ দেওয়া হয়।
গত ১০ অক্টোবর ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তরমন্তরে সমাবেশের ডাক দেয় ককরোচ জনতা পার্টি। তবে সেদিন বিক্ষোভকারীদের সেখানে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ সময় দলটির প্রধান অভিজিৎ দীপসহ সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে দিল্লি বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়। পরদিন তাঁরা মুক্তি পান।
পরে অভিজিৎ দীপ তাঁর দাদির মৃত্যুর কারণে পরিবারের পাশে থাকতে বাড়ি চলে যান। তবে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ১৩ অক্টোবর আবারও যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এ ঘটনায় পুলিশ তাঁদের গ্রেপ্তার করে এবং রিমান্ডে নেয়।
দুই নেতার আটকের প্রতিবাদে ১৫ অক্টোবর দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উত্তোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন অভিজিৎ দীপ। সেদিন তাঁকেও আটক করা হয়। পরদিন তিনি মুক্তি পেলেও সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে হেফাজতে রাখা হয়।
অবশেষে সাত দিন হেফাজতে থাকার পর বুধবার আদালতের শর্ত মেনে মুক্তি পান সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। তাঁদের মুক্তির ক্ষেত্রে যন্তরমন্তরে ভবিষ্যতে কোনো বিক্ষোভ কর্মসূচি না দেওয়ার অঙ্গীকার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au