অবশেষে প্রকাশিত হচ্ছে সোনিয়া গান্ধীর বহুলপ্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা
দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’। পাণ্ডুলিপি নিয়ে মতভেদের কারণে ভারতের অন্যতম…
মেলবোর্ন, ১৮ জুলাই-
গোপালগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান পিয়ালসহ ৭৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, আর অজ্ঞাতনামা রাখা হয়েছে আরও ৪০০ জনকে। মোট আসামির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জন।
শুক্রবার (১৮ জুলাই) সকালে গোপালগঞ্জ সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক আহম্মদ আলী বাদী হয়ে থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এটি করা হয়েছে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) ড. রুহুল আমিন সরকার।
ঘটনার প্রেক্ষাপটে জানা যায়, বুধবার (১৬ জুলাই) গোপালগঞ্জ শহরের পৌর পার্ক এলাকায় এনসিপি’র (জাতীয় নাগরিক পার্টি) একটি পূর্বঘোষিত সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর আগের রাত থেকেই পরিস্থিতি ছিল থমথমে।
এনসিপির ডাকা ‘মার্চ টু গোপালগঞ্জ’ কর্মসূচি ছিল তাদের মাসব্যাপী ‘দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা’র অংশ। কিন্তু সমাবেশ শুরুর আগেই সেখানে হামলার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের শিকার হয় এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরও। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালায়, গাড়ি ভাঙচুর করে এবং আগুন দেয়। পরে তা রূপ নেয় এক ভয়াবহ সংঘাতে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রথমে ১৪৪ ধারা জারি করা হলেও তা কার্যকর না হওয়ায় ওই রাতেই সরকার কারফিউ ঘোষণা করে, যা পরদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত বলবৎ ছিল। পরে কারফিউয়ের সময়সীমা আরও বাড়ানো হয়।
সহিংসতার ঘটনায় এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হন পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে পড়ে যে, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর নিরাপত্তায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা গোপালগঞ্জ থেকে বেরিয়ে খুলনার দিকে যাত্রা করেন।
ঘটনার পর গোপালগঞ্জে ব্যাপক তল্লাশি, গ্রেপ্তার অভিযান এবং তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুলিশ বলছে, সহিংসতায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে উত্তেজনার পারদ বাড়তে দেখা গেলেও, গোপালগঞ্জের এই সহিংসতা এবং পুলিশের বিরুদ্ধে এই মাত্রার হামলা স্থানীয় ও জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের অশনিসংকেত বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au