হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ১৯ জুলাই-
একাত্তর ও গণতন্ত্র—এই দুটি প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় নয় বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “১৯৭১ আমাদের মূল কথা, স্বাধীনতার যুদ্ধ আমাদের মূল ভিত্তি। এখানে কোনো আপস নেই। গণতন্ত্র নিয়েও আপস নয়। আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং গণতন্ত্রই চাই।”
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে “গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ও দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের পথ” শীর্ষক এই সভার আয়োজন করে গণতন্ত্র মঞ্চ। সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি দিন দিন জটিল হয়ে উঠছে। যারা গণতন্ত্রে ও জনগণের অগ্রযাত্রায় বিশ্বাস করে না, সেইসব চক্র আবার সক্রিয় হচ্ছে এবং ক্ষমতা ফিরে পেতে ষড়যন্ত্র করছে।
তিনি বলেন, “দেশে হত্যা, ছিনতাই, মবোক্রেসি বেড়েছে। সামনে যে সুযোগ এসেছে, তা হারিয়ে ফেললে বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে যাবে। বারবার অভ্যুত্থান ঘটবে, মানুষ প্রাণ দেবে, কিন্তু আমরা দায়িত্বশীল না হলে সেই সুযোগও হারাবো।”
ফখরুল সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “সংস্কার, সনদ ও নির্বাচন—এই তিন বিষয়ে দ্রুত অগ্রসর হওয়া দরকার। তা না হলে গণতন্ত্র আবার বিপন্ন হবে।”
আলোচনায় আরও অংশ নেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, যিনি বলেন, “গণতন্ত্রের জন্য ঐকমত্য জরুরি। আমরা যদি ঐক্যমতে পৌঁছাতে না পারি, তাহলে ফ্যাসিবাদী শক্তি ও বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরা প্রক্রিয়াকে ধ্বংস করে দেবে।”
রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম বলেন, “গণ–অভ্যুত্থানের পর কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসেনি।” এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “আন্দোলনে অংশ নেওয়া অধিকাংশ মানুষের নামও আজ কেউ জানে না। কেউ কেউ রাজনৈতিক স্বার্থে অভ্যুত্থানের অবদানকে ছোট করে ফেলছে।”
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, “প্রশাসনের চরিত্রের কোনো পরিবর্তন হয়নি। ইউনূস ও উপদেষ্টারা জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি।”
জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের প্রত্যাশা ছিল বিভেদের রাজনীতি পরিহার করে জনগণের জন্য নতুন রাজনৈতিক কাঠামো গড়া। বিচার ও জবাবদিহি এখনো অনুপস্থিত।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন গণতন্ত্র মঞ্চের প্রধান সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম বাবলু। এতে আরও বক্তব্য রাখেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টির মোস্তফা জামাল হায়দার, নাগরিক ঐক্যের শহীদ উল্লাহ কায়সার, জেএসডির তানিয়া রব, গণফোরামের মিজানুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের নাঈম জাহাঙ্গীর এবং নারী মুক্তি কেন্দ্রের সীমা দত্ত।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au