হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ২০ আগষ্ট- বাংলাদেশের ব্যাংক খাত এক ভয়াবহ মূলধন সংকটের দিকে এগোচ্ছে। প্রতিদিন যেন নতুন নতুন ব্যাংক মূলধন ঘাটতির তালিকায় যুক্ত হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে রাষ্ট্রায়ত্ত, বিশেষায়িত ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট ২৩টি ব্যাংক মূলধন ঘাটতিতে পড়েছে। এদের সম্মিলিত ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১১ হাজার ২৮৯ কোটি ১৪ লাখ টাকা।
এই সংকটের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, দুর্নীতি এবং অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঋণ বিতরণ। যেসব ঋণ ফেরত পাওয়ার কথা ছিল, তার একটি বড় অংশই অদায়যোগ্য হয়ে গেছে। ফলে ঘাটতির বোঝা চাপছে পুরো ব্যাংকিং খাতের ওপর, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি কেবল ব্যাংকগুলোর আর্থিক দুর্বলতার ইঙ্গিত নয়, বরং পুরো খাতের গভীর কাঠামোগত সমস্যার প্রতিচ্ছবি। দীর্ঘদিন ধরে দুর্বল পরিচালনা পর্ষদ, রাজনৈতিক প্রভাব, জবাবদিহির অভাব ও স্বচ্ছতার সংকট এ অবস্থার জন্য দায়ী।
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে আরও উঠে এসেছে, শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর নতুন করে বেশ কয়েকটি ব্যাংক মূলধন ঘাটতির মধ্যে পড়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), এক্সিম ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংক এবং আইএফআইসি ব্যাংক।
বিশ্লেষকদের মতে, সরকারের পরিবর্তনের পর ব্যাংকগুলোর ভেতরে লুকিয়ে থাকা আর্থিক দুর্বলতা ও ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের বাস্তব চিত্র স্পষ্টভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। অতীতে রাজনৈতিক ছত্রচ্ছায়ায় অনিয়ন্ত্রিতভাবে ঋণ বিতরণের যেসব ঘটনা ঘটেছিল, বর্তমানে তার প্রভাবই মূলধন ঘাটতির ভয়াবহ রূপে সামনে আসছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au