মেলবোর্ন, ৩ নভেম্বর- ক্যারিবিয়ান সাগরের অন্তর্ভুক্ত আন্তর্জাতিক জলে Pete Hegseth (মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব) জানিয়েছেন যে, ২ নভেম্বর ২০২৫-এ একটি নৌযানে মার্কিন বাহিনী হামলা চালায়, যার ফলে তিনজন নিহত হয়েছেন।
এই নৌযানটি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা কর্তৃক “উপর্যুক্ত নিষিদ্ধ নেশা পাচারকারীদের নেটওয়ার্ক”–র সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
হামলাটি হচ্ছে এমন এক অভিযানের অংশ যা সেপ্টেম্বর থেকে ক্যারিবিয়ান ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে মার্কিন বাহিনীর হাতে সীমাহীন নয়েজার নৌযান-লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে। এই অভিযানে এখনও পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৬০ সূত্রাধীনাধিক।
মার্কিন সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, ‘নেশা পাচারকারীরা’ এখন “নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংস্থা” হিসেবে পরিচিত করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে মিলিটারি কৌশলে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও United Nations–এর সংশ্লিষ্ট শাখা বলছে, এই ধরনের হামলা কনভেনশনাল আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার রক্ষার আওতায় সন্দেহ তৈরি করছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানায়, অভিযানে সংশ্লিষ্ট নৌযানটি ছিল এমন এক রুটে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন করছিল, যেখানে দীর্ঘদিন ধরে নেশা প্রবাহ ধরে রাখা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথ উল্লেখ করেন, “আমাদের গোয়েন্দা তথ্য অনুযায়ী, এই নৌযানটি নিষিদ্ধ নেশা পাচারে সক্রিয় ছিল, আমরা এটি শেষ করলাম।”
অভিযানটি পালিত হয় আন্তর্জাতিক জলের ভেতরে, যেখানে কোন একটি দেশের সীমান্তবহির্ভূত ক্ষেত্র হিসেবে মার্কিন বাহিনী কাজ করেছে।
এই হামলার পর কার ও বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি; নিহত সবাই ‘নেশা পাচারে জড়িত সন্দেহভাজন’ হিসেবে চিহ্নিত। মার্কিন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এই ধরনের হামলা আগের টেকনিকের (যেমন কোস্ট গার্ড অভিযান) থেকে ভিন্ন এখন এটি সম্পূর্ণ মিলিটারি ভিত্তিক, হ্যাফমান্টরিয় ও ত্বরিত সিদ্ধান্ত নিয়ে।
বিভিন্ন দেশ বিশেষ করে Colombia ও Venezuela এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে । তারা বলছে, মার্কিন এই পদক্ষেপ সার্বভৌমত্ব ও আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের পথে যেতে পারে।
সুত্রঃ এপি নিউজ