নিহত আশরাফের জরেজ নামে এক বন্ধুকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাত আরও বেশ কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে।
মেলবোর্ন, ১৫ নভেম্বর- হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের গেটের কাছে ড্রামের ভেতর থেকে পাওয়া খণ্ডিত মরদেহ হত্যার ঘটনায় মূল আসামি জরেজুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। শুক্রবার রাতে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, পরকীয়ার জেরে আশরাফুল হককে হত্যা করে মরদেহ ২৬ টুকরা করেন জরেজুল ইসলাম। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন। আজ কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
নিহতের বোন আনজিনা বেগম শুক্রবার শাহবাগ থানায় মামলা করেন। মামলায় নিহত আশরাফুলের বন্ধু জরেজুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। পাশাপাশি আরও অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করা হয়েছে। শাহবাগ থানার ওসি খালিদ মনসুর জানান, ড্রাম থেকে ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় হত্যা মামলা নেওয়া হয়েছে এবং তদন্ত শুরু হয়েছে।
ডিএমপির রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মাসুদ আলম বলেন, আশরাফুল মঙ্গলবার বাড়ি থেকে ঢাকায় আসেন। বুধবার রাত ৯টা পর্যন্ত পরিবারের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল। এরপর আর যোগাযোগ পাওয়া যায়নি। তিনি ভারত ও মিয়ানমার থেকে পেঁয়াজ ও আলু আমদানি করতেন এবং তার সরকারি লাইসেন্সও ছিল।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নীল রঙের একটি ড্রামের ভেতর থেকে মরদেহের টুকরোগুলো উদ্ধার করে পুলিশ। প্রথমে পরিচয় পাওয়া না গেলেও পরে ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় মরদেহটি আশরাফুল হকের। তার বাড়ি রংপুরের বদরগঞ্জের গোপালপাড়া এলাকায়। বাবা আব্দুর রশিদ এবং মা মোছা. এছরা খাতুন।