স্বাধীনতাবিরোধী জামায়াত ঠিক করে দিতে পারে না কে মুক্তিযোদ্ধা, কে নন: ২৮ বিশিষ্টজন
পিরোজপুরে বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফন ও রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদানে বাধা দেওয়ার ঘটনায় নিন্দা, ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছেন দেশের ২৮ বিশিষ্ট নাগরিক। তাঁরা…
মেলবোর্ন, ৫ জানুয়ারি- আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সারা দেশে যৌথবাহিনীর অভিযান শুরু হচ্ছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনকালীন আচরণবিধি কঠোরভাবে বাস্তবায়ন – এই তিনটি লক্ষ্য সামনে রেখে অভিযান পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রোববার (৪ জানুয়ারি) কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এক বিশেষ সভায় এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, আজকের মধ্যেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিপত্র জারি হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে যৌথবাহিনীর দায়িত্ব ও কার্যপরিধি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।
নির্বাচন কমিশনার জানান, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সব বাহিনী প্রধানদের বৈঠক ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং যৌথবাহিনীর অভিযান শুরুর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব হেডকোয়ার্টারকে অবহিত করা হয়েছে। এর ফলে সারা দেশে সমন্বিতভাবে অভিযান পরিচালনার পথ সুগম হয়েছে।
অভিযানের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, প্রথমত নির্বাচন সামনে রেখে যেসব অবৈধ অস্ত্র মজুত বা সরবরাহ রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করা হবে। যেসব অস্ত্র উদ্ধার সম্ভব হবে না, সেগুলো যেন কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার না হয়, সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া হবে। দ্বিতীয় লক্ষ্য হিসেবে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার কথা জানান তিনি।
তৃতীয় লক্ষ্য হিসেবে নির্বাচনকেন্দ্রিক আচরণবিধির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, দল বা প্রার্থীর পক্ষ থেকে আচরণবিধির গুরুতর লঙ্ঘন হলে তা সরাসরি যৌথবাহিনী দেখবে। ছোটখাটো ব্যত্যয় হলে রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটিগুলো তা মোকাবিলা করবে।
এ ছাড়া রোহিঙ্গা ইস্যুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন নির্বাচন কমিশনার। তিনি বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো সিল করে দিতে হবে এবং স্থল সীমান্ত ও সাগরপথে নজরদারি বাড়াতে হবে, যাতে কোনো দুষ্কৃতিকারী এসব এলাকা ব্যবহার করে অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে।
নির্বাচনকে ঘিরে এই যৌথ অভিযান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে এবং ভোটারদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নির্বাচন কমিশনার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au