এভারেস্ট জয়ের রহস্য: ১০০ বছর পরও অজানা ম্যালোরি-আরভিনের শেষ পরিণতি
মেলবোর্ন, ৬ জুন- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট এভারেস্টকে ঘিরে অসংখ্য ইতিহাস, অর্জন ও ট্র্যাজেডির গল্প রয়েছে। তবে এসব কাহিনির মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী…
মেলবোর্ন,৪ ফেব্রুয়ারি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচিত সিনেট সদস্য ও আইন বিভাগের শিক্ষার্থী আকিল বিন তালিব মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষায় নকলের অভিযোগে পরীক্ষাকক্ষে আটক হন। গত সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর অ্যাকাডেমিক ভবনে আইন বিভাগের একটি পরীক্ষার সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করায় এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সোমবার আইন বিভাগের মাস্টার্স কোর্সের ‘ইন্টারন্যাশনাল হিউম্যানিটি ল’ বিষয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া আকিল বিন তালিব আগের একটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের পেছনে কিছু লেখা নিয়ে পরীক্ষাকক্ষে প্রবেশ করেন। পরিদর্শকের সন্দেহের পর কাগজপত্র তল্লাশি করে ওই লেখাগুলো শনাক্ত করা হয়।
পরিদর্শকের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম জানান, পরীক্ষা চলাকালে আকিলের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তার কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। এতে আগের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের পেছনে লেখা কিছু অংশ পাওয়া যায়। বিষয়টি তিনি সঙ্গে সঙ্গে প্রধান পরিদর্শককে জানান এবং আকিলের উত্তরপত্র জব্দ করেন। পরে তাকে বাকি সময় পরীক্ষা দিতে দেওয়া হয়নি।
তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, পরীক্ষায় নকল বা অনিয়মের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে সংশ্লিষ্ট পরিদর্শককে বাদী হয়ে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে হয়। অধ্যাপক মোর্শেদুল ইসলাম বলেন, তিনি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করতে আগ্রহী হলেও সহপরিদর্শক অধ্যাপক আনিসুর রহমান বিষয়টি এড়িয়ে যেতে বলেন। অতীত অভিজ্ঞতার কারণে তিনি পরবর্তী পদক্ষেপ নেননি বলেও জানান।
অন্যদিকে অধ্যাপক আনিসুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, পুরো প্রক্রিয়ায় তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং নিয়ম অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা হলে সেটি বিবেচনায় আসত।
এ বিষয়ে আকিল বিন তালিব বলেন, বিষয়টি অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তার ভাষায়, আগের একটি প্রশ্নপত্রের পেছনে কেবল কিছু রেফারেন্স ও কয়েকটি ধারা লেখা ছিল, পুরো উত্তর নয়। তিনি ইচ্ছাকৃত নকলের অভিযোগ মানতে নারাজ।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে একজন নির্বাচিত সিনেট সদস্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযোগ ওঠায় পরীক্ষার শৃঙ্খলা ও প্রশাসনিক দায়িত্ববোধ নিয়ে প্রশ্ন উঠছে
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au