নিখোঁজের চারদিন পর বন্ধ ঘর থেকে উচ্ছ্বাস কর্মকারের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- চার দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ভাড়া বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) গভীর রাতে…
মেলবোর্ন, ৫ ফেব্রুয়ারি- গ্রিসের রাজধানী এথেন্সে অবৈধভাবে পরিচালিত মসজিদ ও নামাজঘরের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। এথেন্স পৌর এলাকার ভেতরে যেসব মসজিদ ও উপাসনালয় সরকারি অনুমোদন ছাড়া পরিচালিত হচ্ছে, সেগুলো শনাক্ত করে বন্ধ করা হবে। যার সংখ্যা প্রায় ৬০ টি। একই সঙ্গে এসব স্থাপনা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বিদেশি নাগরিকদের গ্রিস থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গ্রিসের অভিবাসন ও আশ্রয়মন্ত্রী থানোস প্লেভরিস দেশটির পার্লামেন্টারি কমিটির এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেন। ওই বৈঠকে একটি বৈধ অভিবাসন আইন নিয়ে আলোচনা চলছিল। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গ্রিসের আইন না মানলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
এই উদ্যোগের পেছনে সাম্প্রতিক একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করেন মন্ত্রী। এথেন্সের আগিওস নিকোলাওস এলাকায় একটি অবৈধ উপাসনালয় পরিচালনার অভিযোগে এক বাংলাদেশি নাগরিকের বৈধ বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হয়। পুলিশ ওই স্থানটি সিলগালা করে দেয় এবং অনুমোদন ছাড়া মসজিদ পরিচালনার দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে থানোস প্লেভরিস বলেন, আগিওস নিকোলাওসে যা হয়েছে, সেটাই এখন সর্বত্র ঘটবে।
তিনি আরও জানান, যারা গ্রিসের আইন মানতে ব্যর্থ হবে, তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেশ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। এ জন্য অভিবাসন ও আশ্রয় মন্ত্রণালয় অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত বসবাসের অনুমতি বাতিলের সংক্ষিপ্ত প্রক্রিয়া চালু করছে।
সরকারি সূত্র ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এথেন্সে প্রায় ৬০টি অবৈধ উপাসনালয় এখনো চালু রয়েছে। এসব স্থাপনার অনেকগুলো বেজমেন্ট, অ্যাপার্টমেন্ট, গুদামঘর কিংবা পার্কিং এলাকায় গড়ে উঠেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা, শৌচাগারসহ ন্যূনতম নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধির কোনো মান বজায় রাখা হয়নি।
গ্রিস সরকারের এই কঠোর অবস্থানকে দেশটির অভিবাসন নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে অবৈধ ধর্মীয় স্থাপনা পরিচালনা ও আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে সরকারের শূন্য সহনশীলতার বার্তাও এতে স্পষ্ট হয়েছে।
সূত্রঃ দ্য ইউরোপিয়ান কনজারভেটিভ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au