নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই:কাদায় চাপা পড়েছে সব, ভেঙেছে ছাদও
নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সুড়ঙ্গের শেষ…
মেলবোর্ন, ৯ মে- ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে দীর্ঘ অচলাবস্থার মধ্যেই এবার নতুন করে আলোচনার ইঙ্গিত দিল রাশিয়া। ক্রেমলিন জানিয়েছে, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সব পক্ষের সঙ্গে সংলাপে বসতে প্রস্তুত। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোকেই আগে যোগাযোগের উদ্যোগ নিতে হবে বলে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে মস্কো।
শুক্রবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, পুতিন বরাবরই আলোচনা ও কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে। তিনি বহুবার এ বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। ইউরোপ যদি আলোচনায় আগ্রহ দেখায়, রাশিয়াও সেই পথে এগোতে প্রস্তুত।
এক প্রতিবেদনে জানায়, ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান নিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভেতরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি ও ভবিষ্যৎ কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে ইউরোপের নেতারা বিকল্প পথ খুঁজছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বর্তমানে যুদ্ধ নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করায় ইউরোপীয় নেতাদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কোস্তা মনে করেন, রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সম্ভাবনা এখনও রয়েছে এবং এ বিষয়ে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি-ও ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছেন।
ক্রেমলিনের দাবি, ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর ইউরোপীয় ইউনিয়নই রাশিয়ার সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক কার্যত স্থগিত করে। তাই এখন সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে প্রথম পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্বও ইউরোপের।
পেসকভ বলেন, “রাশিয়া কখনও সম্পর্ক ছিন্ন করার উদ্যোগ নেয়নি। বরং ব্রাসেলস ও ইউরোপের কয়েকটি দেশ নিজেরাই যোগাযোগ বন্ধ করেছিল।”
অন্যদিকে ইউরোপীয় দেশগুলো দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে, ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করেছে। পশ্চিমা দেশগুলোর আশঙ্কা, ইউক্রেনে সফল হলে ভবিষ্যতে ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্রগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করতে পারে মস্কো। যদিও রাশিয়া বারবার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রাশিয়া। এরপর থেকেই ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে রাশিয়া ও পশ্চিমা বিশ্বের সম্পর্ক চরম উত্তেজনায় পৌঁছায়। মস্কোর দাবি, পশ্চিমা দেশগুলোর সামরিক ও আর্থিক সহায়তার কারণেই যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হচ্ছে।
সুত্রঃ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au