পাকিস্তানে বাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে নিহত অন্তত ৯
মেলবোর্ন, ১২ মে- পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি ব্যস্ত বাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে দেশটিতে এটি দ্বিতীয় বড়…
মেলবোর্ন, ১২ মে- সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আড়পাংগাশিয়া গ্রামে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে দুই হিন্দু পরিবার। হুমকি-ধামকি, ভয়ভীতি প্রদর্শন, চাঁদা দাবি ও প্রাণনাশের আশঙ্কার অভিযোগ তুলে থানায় পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারী তপোবন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সুকুমার মন্ডল জানান, তার মেয়ে মোহনা রানী মন্ডল মুন্সিগঞ্জ বাজারে মাসুম বিল্লাহর পরিচালিত একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাতায়াতের সুবাদে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে ধর্মত্যাগ করে তারা বিয়ে করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় মোহনাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে কিছুদিন পর আবারও মাসুম বিল্লাহ মোহনাকে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সুকুমার মন্ডলের দাবি, এরপর থেকেই বিভিন্ন অজ্ঞাত নম্বর থেকে তাকে ও তার পরিবারকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা চরম আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
একই ঘটনায় আরেক অভিযোগকারী পরিতোষ কুমার বৈদ্য বলেন, মোহনা রানী তার মামাতো বোন হওয়ায় পারিবারিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। স্থানীয় ইউপি সদস্য মকিন্দ পাইকসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠকে অঙ্গীকারনামা ও তালাকনামা সম্পন্ন করে মোহনাকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু পরে আবারও তাকে নিয়ে যান মাসুম বিল্লাহ।
পরিতোষ কুমার বৈদ্যের অভিযোগ, এ ঘটনায় তিনি স্থানীয়ভাবে সহযোগিতা করায় ক্ষুব্ধ হয়ে তার কাছে চাঁদা দাবি করা হয়। অফিসে যাওয়া-আসার পথে তাকে নিয়মিত গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সম্প্রতি মুন্সিগঞ্জ বাজার এলাকায় তার জামার কলার ধরে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানান তিনি।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্থানীয় সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সামনেও প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতে দুই পরিবারসহ স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
এ বিষয়ে শ্যামনগর হিন্দু পরিষদের আহ্বায়ক অনাথ মন্ডল ও যুগ্ম আহ্বায়ক সুজন কুমার দাস বলেন, সংখ্যালঘু পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ খালেদুর রহমান ও তদন্ত কর্মকর্তা ইমরান হোসেন জানিয়েছেন, দুটি পৃথক অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au