সমাধানের পথ নেই, বাংলাদেশের সামনে ভয়াবহ পরিস্থিতি
মেলবোর্ন, ০৭ মার্চ- ইরানের সাথে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের যুদ্ধে বাংলাদেশ নেই। কিন্তু সেই যুদ্ধের রেশ সবচেয়ে বেশি যেসব দেশে পড়েছে বাংলাদেশ তার…
মেলবোর্ন, ২৬ জানুয়ারি- ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ চলার সময় আন্দোলনে পক্ষে অংশগ্রহণকারীদের দ্বারা সংগঠিত অপরাধমূলক কার্মকাণ্ডের ফৌজদারি দায়মুক্তি এবং আইনি সুরক্ষা দিয়ে অধ্যাদেশ জারি করেছে সরকার। গতকাল রোববার মধ্যেরাতেে এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদশ প্রকাশিত হয়েছে।
ওই অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে ফ্যাসিস্ট শাসকের পতন ঘটানোর মাধ্যমে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে একটি সর্বাত্মক গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণ করে। যা পরবর্তীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।”
এর আগে গত ১৫ জানুয়ারি জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় একটি অধ্যাদেশের অনুমোদন দেয়া হয়। তখন জানানো হয়, অধ্যাদেশ পরবর্তী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশ হয়ে আইনে পরিণত হবে।
২০২৪ সালের জুলই মাস থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনের পরিসমাপ্তি ঘটে ওই বছরের ৫ আগস্ট। এই আন্দোলনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কয়েক’শ সদস্যকে হত্যা করে আন্দোলনকারীরা। এছাড়াও অসংখ্য থানায় হামলার পর অগ্নিসংযোগ করে লুট করা হয় পুলিশের কয়েক হাজার অস্ত্র। আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় বহু সরকারি সম্পত্তি।
এই সব অপরাধের বিচার বন্ধ করতেই সরকার এই অধ্যাদেশ জারি করেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
তবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার ঘোষিত ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ এর অঙ্গীকারনামায় ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টে গণ-অভ্যুত্থানকালে সংঘটিত ‘হত্যাকাণ্ডের বিচার’, অন্যদিকে ‘আইনগত দায়মুক্তির’ বিষয়টি একই সাথে রাখা হয়েছে।
যে বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে। কারণ এই অধ্যাদেশ ভবিষ্যতে বাংলাদেশে নতুন সংকটের জন্ম দিতে পারে।
বাংলাদেশে এর আগেও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনায় দায়মুক্তি দেওয়ার নজির এবং সেই দায়মুক্তি বাতিল করে বিচারের মুখোমুখি করার উদাহরণও আছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au