নতুন হামলার জেরে হরমুজ প্রণালিতে কমেছে জাহাজ চলাচল
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে হামলার পর নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল আরও…
মেলবোর্ন, ১৩ মে- ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ঘিরে রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হয়েছে। স্থানীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির বড় ধরনের ভরাডুবির পর একদিনেই মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেছেন তিনজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। এতে দলটির ভেতরে নেতৃত্ব সংকট ও অসন্তোষ প্রকাশ্যে চলে এসেছে।
পদত্যাগ করা মন্ত্রীদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জেস ফিলিপস, ডিভল্যুশন, ফেইথ অ্যান্ড কমিউনিটিজ বিষয়ক মন্ত্রী মিয়াত্তা ফানবুলেহ এবং নারী ও কন্যাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিকটিমস বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালেক্স ডেভিস জোন্স। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির ভরাডুবির পর থেকেই স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তীব্র হতে থাকে। দলের অনেক সংসদ সদস্য ইতোমধ্যে তার কাছে পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। তবে বাড়তে থাকা চাপের মধ্যেও কিয়ার স্টারমার ক্ষমতা ছাড়ার কোনো ইঙ্গিত দেননি।
মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টার রাজনৈতিক অস্থিরতা সরকার ও দেশের অর্থনীতির জন্য ক্ষতিকর হয়ে উঠেছে। তিনি মন্ত্রীদের দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে সরকার পরিচালনায় মনোযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন।
এদিকে সংকটের মধ্যেও স্টারমারের পাশে দাঁড়িয়েছেন মন্ত্রিসভার কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সদস্য। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলিসহ একাধিক মন্ত্রী প্রকাশ্যে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এছাড়া উপপ্রধানমন্ত্রী ডেভিড ল্যামি, অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এখনো স্টারমারের নেতৃত্বে আস্থা রাখছেন বলে জানা গেছে।
তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে, টানা চাপ ও দলীয় ক্ষোভের মুখে কিয়ার স্টারমার কতদিন নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারবেন, সেটিই এখন বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সুত্রঃ সিএনএন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au