সরকার চায় ঐক্য, একটি মহল ছড়াচ্ছে বিভ্রান্তি: প্রধানমন্ত্রী
দেশের সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্য গড়ে তুলতে চায় সরকার। তবে সরকার যখন সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, তখন একটি মহল দেশে বিভ্রান্তি ছড়ানোর…
মেলবোর্ন, ৩১ মে- দেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ, প্রখ্যাত গণসংগীতশিল্পী, গীতিকার ও সংগীত শিক্ষক কামরুদ্দীন আবসার আর নেই। শনিবার (৩০ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর বিআইএসএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তাঁর মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন কামরুদ্দীন আবসার। ২০১১ সালে স্ট্রোক করার পর থেকে নিয়মিত চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। সম্প্রতি নিউমোনিয়া ও ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত হলে গত ১৪ মে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছিল। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত তিনি মৃত্যুর কাছে হার মানেন।
গণসংগীতকে সাধারণ মানুষের অধিকার, সংগ্রাম ও মুক্তির চেতনার বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে আজীবন কাজ করেছেন কামরুদ্দীন আবসার। শিল্পী হিসেবে যেমন তিনি পরিচিত ছিলেন, তেমনি গীতিকার ও সংগীত শিক্ষক হিসেবেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানিত। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে তিনি অসংখ্য শিল্পী গড়ে তুলেছেন এবং দেশের প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন।
তাঁর মৃত্যুতে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন গভীর শোক প্রকাশ করেছে। প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মীরা বলেছেন, কামরুদ্দীন আবসারের মৃত্যু শুধু একজন শিল্পীর বিদায় নয়, বরং একটি সংগ্রামী সাংস্কৃতিক ধারার গুরুত্বপূর্ণ কণ্ঠস্বর হারিয়ে যাওয়া।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রোববার বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সোমবার (১ জুন) সকালে তাঁর মরদেহ রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হবে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন পর্ব চলবে।
কামরুদ্দীন আবসারের মৃত্যুতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, গণমানুষের গান, সংগ্রাম ও মানবিক মূল্যবোধের পক্ষে তাঁর কণ্ঠস্বর এবং অবদান দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au