হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ৮ জুলাই- বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের ২০২৬ সালের তালিকায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেন। অর্থনীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) বিশ্বের ১৭৩টি শহরের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো, সংস্কৃতি ও পরিবেশের মান বিবেচনায় এই বার্ষিক সূচক প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোপেনহেগেন স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো এবং শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ নম্বর অর্জন করেছে। উন্নত জনসেবা, নিরাপদ পরিবেশ এবং উচ্চ জীবনমানের কারণে শহরটি আবারও বিশ্বের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহরের স্বীকৃতি ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা, যা গত তিন বছর ধরে শীর্ষে থাকলেও টানা দ্বিতীয় বছর কোপেনহেগেনের কাছে পিছিয়ে পড়েছে। তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন, আর চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে সিডনি। সুইজারল্যান্ডের জুরিখ পঞ্চম এবং জেনেভা ষষ্ঠ স্থান দখল করেছে।

অর্থনীতিবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) বিশ্বের ১৭৩টি শহরের শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, স্থিতিশীলতা, অবকাঠামো, সংস্কৃতি ও পরিবেশের মান বিবেচনায় এই বার্ষিক সূচক প্রকাশ করেছে। ছবিঃ সংগৃহীত
এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে জাপানের ওসাকা, যা সপ্তম স্থানে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড অষ্টম, কানাডার ভ্যাঙ্কুভার নবম এবং জাপানের রাজধানী টোকিও দশম স্থানে উঠে এসেছে। সংস্কৃতি ও পরিবেশ বিভাগে উন্নতির কারণে টোকিও গত বছরের তুলনায় তিন ধাপ এগিয়েছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, উত্তর আমেরিকার শহরগুলোর মধ্যেও পরিবর্তন এসেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অপরাধের হার কমে যাওয়া এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতির কারণে তিন ধাপ এগিয়ে ৬৬তম স্থানে পৌঁছেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বাসযোগ্য শহর হিসেবে রয়েছে হনোলুলু, যদিও এটি আগের বছরের তুলনায় দুই ধাপ নেমে ২৫তম স্থানে অবস্থান করছে।
অন্যদিকে, ইরানকে ঘিরে সাম্প্রতিক যুদ্ধ ও আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের শহরগুলোর ওপর। ওমানের রাজধানী মাসকাট ১৪ ধাপ পিছিয়ে ১২৩তম এবং কুয়েতের রাজধানী কুয়েত সিটি ১২ ধাপ নেমে ১০৫তম স্থানে চলে গেছে। স্থিতিশীলতা সূচকে অবনতি হওয়াই এই পতনের প্রধান কারণ বলে জানিয়েছে ইআইইউ।
এশিয়ার গড় বাসযোগ্যতার মান এ বছর কিছুটা বেড়েছে। বিশেষ করে চীনের বিভিন্ন শহরে স্বাস্থ্যসেবায় বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং নতুন দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থা চালুর ফলে স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এর প্রভাব সামগ্রিক আঞ্চলিক সূচকেও প্রতিফলিত হয়েছে।
তালিকার একেবারে নিচে রয়েছে যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ার রাজধানী দামেস্ক, যা এখনও বিশ্বের সবচেয়ে কম বাসযোগ্য শহর হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধের কারণে ইরানের তেহরান ১৬৪তম এবং ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ১৬৬তম স্থানে নেমে গেছে।
ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি এবং এশিয়ায় স্বাস্থ্যসেবার উন্নতির কারণে বৈশ্বিক গড় বাসযোগ্যতার স্কোর গত বছরের তুলনায় প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে শীর্ষ ২০টি শহরের মধ্যে এখন নয়টি শহরই এশিয়ার, যা অঞ্চলটির ক্রমবর্ধমান উন্নয়নের প্রতিফলন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au