পারেদেসকে লাল কার্ড দেওয়ার খবর নাকচ করলো ফিফা
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ শেষে সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়েন্দ্রো পারেদেসকে লাল কার্ড দেখানো হয়েছে বলে যে খবর ছড়িয়ে…
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী এবং কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। এ ঘটনায় দিল্লির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভকে ঘিরে কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) মধ্যে পাল্টাপাল্টি অভিযোগও জোরালো হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছে, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারি বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন রাহুল গান্ধী। তিনি সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিলে দিল্লি পুলিশ তাঁকে আটক করে। পরে কয়েক ঘণ্টা পর রাজধানীর ছত্রসাল স্টেডিয়াম থেকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।
একই সময়ে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও পুলিশ আটক করে মন্দির মার্গ থানায় নিয়ে যায়। পরে রাতেই তাঁকেও ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রিয়াঙ্কার সঙ্গে দেখা করতে থানায় যান কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপারসন সোনিয়া গান্ধী। মেয়ের মুক্তির পর তিনিও সেখান থেকে ফিরে যান।
এর আগে সোমবার পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় আটক হওয়া আরও প্রায় ৭০ জনকে মঙ্গলবার মুক্তি দেয় দিল্লি পুলিশ। একই সঙ্গে সরকারি সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে ছয়টি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে কংগ্রেসের বিক্ষোভের তীব্র সমালোচনা করেছেন বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের সামনে রাহুল গান্ধীর এই কর্মসূচি ভারতীয় রাজনীতির জন্য একটি দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা এবং এটি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি ‘কালো দিন’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
অন্যদিকে, গভীর রাতে জন্তর মন্তর এলাকায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সংহতি জানাতে উপস্থিত হন মহারাষ্ট্রের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। এর আগে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বাসভবন থেকে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবসহ বিরোধী জোটের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের উদ্দেশে মিছিল বের করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়।
বিক্ষোভকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর পদত্যাগ দাবি করে স্লোগান দেন। পরে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং আন্দোলনস্থলে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে কথা বললেও কংগ্রেস তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার অবস্থান বজায় রাখে।
এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আন্দোলনের বিষয়টি নিয়ে রাহুল গান্ধী রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছেন। অন্যদিকে আম আদমি পার্টির নেতা সোমনাথ ভারতী দাবি করেন, ছাত্র-যুবদের আন্দোলনের প্রতি প্রকৃত সমর্থন জানাতে হলে রাহুল গান্ধীর জন্তর মন্তরে গিয়ে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত ছিল।
সুত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au