উগ্র মৌলবাদ ও নারী: ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা
মেলবোর্ন, ৮ আগষ্ট- ইতিহাস কখনো কখনো নিজের সন্তানদের গিলে খায়। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে আন্দোলন জন্ম নিয়েছিল বৈষম্যের বিরুদ্ধে, নারীর সমান অংশগ্রহণের দাবিতে, সেই…
মেলবোর্ন, ৮ আগষ্ট: কুমিল্লার সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
শনিবার (৮ আগস্ট) পিবিআই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পিবিআই জানায়, আদালতের আদেশ প্রতিপালন না করা এবং একই আদেশে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ থাকায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশের পর আসামির পালিয়ে যাওয়া ঠেকাতে শনিবার সকালে ঢাকার কেরানীগঞ্জে তার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই।
গ্রেপ্তারের পর তাকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
হাইকোর্টের জামিন স্থগিত, আত্মসমর্পণের নির্দেশ
পিবিআই জানায়, তনু হত্যা মামলায় এর আগে গত ২২ এপ্রিল হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। পরে তিনি হাইকোর্ট থেকে জামিন পান। ওই জামিনের আদেশের পর গত ৪ আগস্ট তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
এরপর বিষয়টি গড়ায় আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে। গত ৬ আগস্ট চেম্বার জজ আদালত হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত করেন।একই সঙ্গে আদালত হাফিজুর রহমানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণ না করলে তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয় পুলিশকে।
পিবিআই বলছে, আদালতের ওই নির্দেশের পরও হাফিজুর রহমান আত্মসমর্পণ না করায় এবং তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ থাকায় শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে কেরানীগঞ্জের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তনু হত্যা মামলা
২০১৬ সালের ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় সোহাগী জাহান তনুর মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং কুমিল্লা সেনানিবাসের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতাও করতেন।
তনুর হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন ওঠে। মামলাটি তদন্তে একাধিক সংস্থা কাজ করেছে। পরবর্তী সময়ে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই।
মামলাটির তদন্ত ও আদালতের বিভিন্ন আদেশের ধারাবাহিকতায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পিবিআই।
বর্তমানে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au