ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মামলার রায় যেকোনো দিন
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্টঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে করা মামলার রায় যেকোনো দিন ঘোষণা…
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্ট- রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সাভারে ‘নব্য জেএমবি’র সম্ভাব্য বোমা তৈরির কারখানার সন্ধান, কয়েকজনকে গ্রেপ্তার এবং বিভিন্ন স্থান থেকে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। একই সময়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বাংলাদেশে আল-কায়েদার ভারতীয় উপমহাদেশীয় শাখা একিউআইএসের গোপন সেল গড়ে তোলার চেষ্টার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রশ্ন উঠছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো কি বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা, নাকি দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য বড় কোনো হুমকির ইঙ্গিত?
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, আতঙ্কিত হওয়ার মতো বড় কোনো জঙ্গি তৎপরতার তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। তবে একই সঙ্গে তারা স্বীকার করছে, বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনাগুলো গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয়, তাদের সাংগঠনিক যোগাযোগ এবং এসব বিস্ফোরক কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ বা তৈরি করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একটি অংশ অবশ্য বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখার পক্ষে নয়। তাদের মতে, কোনো হামলা না ঘটলেও বিস্ফোরক সংগ্রহ, বোমা তৈরির সরঞ্জাম মজুত এবং সম্ভাব্য জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের তৎপরতা নিরাপত্তা ঝুঁকির ইঙ্গিত হতে পারে। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পেছনে প্রকৃতপক্ষে জঙ্গি সংগঠন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসম্পন্ন কোনো গোষ্ঠী কিংবা অন্য কোনো স্বার্থান্বেষী পক্ষ জড়িত কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়েদার শাখা হিসেবে পরিচিত একিউআইএসের কার্যক্রম নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৯ জুন পর্যন্ত আল-কায়েদা ও তাদের সহযোগী গোষ্ঠীগুলোর কার্যক্রম বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, একিউআইএস বর্তমানে আগের তুলনায় আরও বিকেন্দ্রীভূত কাঠামোয় কার্যক্রম পরিচালনার চেষ্টা করছে। বড় আকারের ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ছোট সেলের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা এবং লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার বিষয়টিও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে সংগঠনটির গোপন সেল গড়ে তোলার চেষ্টা চলছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে, একিউআইএসের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকজন নেতা বর্তমানে আফগানিস্তানের কাবুলে অবস্থান করছেন এবং তাদের তালেবানের দেওয়া বিশেষ পরিচয়পত্র রয়েছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় সংগঠনটির সম্ভাব্য বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট পর্যবেক্ষক দল।
তবে জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত উৎস বা নির্দিষ্ট সেল, সদস্য কিংবা কার্যক্রমের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ্যে আসেনি। ফলে বাংলাদেশের ভেতরে সংগঠনটির প্রকৃত সাংগঠনিক সক্ষমতা কতটা, তাদের কতজন সদস্য রয়েছে কিংবা তারা কী ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়নি।

সাভারে মসজিদের মাঠ থেকে বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। ছবি: সংগৃহীত
এর মধ্যেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা সামনে এসেছে। সর্বশেষ ১৬ আগস্ট রাজধানীর ডেমরার পশ্চিম বক্সনগর নিঝুমবাগ সানারপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে বোমাসদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করা হয়। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যাত্রাবাড়ীর জনপদ মোড়ে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে ওই বস্তুগুলোর সন্ধান পাওয়া যায়। এ ঘটনায় ‘ওস্তাদ জুয়েল’ নামে পরিচিত জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বস্তু দুটি পরে বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের মাধ্যমে নিষ্ক্রিয় করা হয়।
এর আগে ১২ আগস্ট সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় একটি তিনতলা বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট। অভিযানে নয়টি বিস্ফোরক ও বিপুল পরিমাণ গানপাউডার উদ্ধারের কথা জানায় পুলিশ। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আরিফ ওরফে ইমরান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়।
তদন্তকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইমরান ২০২৩ সালে ‘নব্য জেএমবি’তে যুক্ত হন। তার সঙ্গে সংগঠনটির বোমা তৈরিতে দক্ষ সদস্য নাজমুল হাসান মামুন ওরফে ‘বোমারু মামুনের’ যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তে তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় বোমা উদ্ধার ও বিস্ফোরণের কয়েকটি ঘটনার তদন্তে এই নামটি সামনে এসেছে।
এর আগেও রাজধানী ও আশপাশের এলাকায় বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। ৩০ জুলাই সাভারের আশুলিয়ায় একটি মুদিদোকানে ফেলে যাওয়া ট্রাভেল ব্যাগ থেকে বিশেষ কায়দায় তৈরি একটি বোমা উদ্ধারের কথা জানায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর আগে ২৪ জুলাই মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি পরিত্যক্ত ছাতার ভেতর থেকে শক্তিশালী বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। ধারাবাহিক এসব ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহন ও সদস্যদের লক্ষ্য করে হামলার আশঙ্কায় পুলিশ সদর দপ্তর থেকে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়।
এ ধরনের ঘটনাগুলোর সঙ্গে সরাসরি কোনো আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনের যোগাযোগ রয়েছে কি না, সেটিই এখন তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। কারণ কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বোমা বা বিস্ফোরক উদ্ধার হলেই তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনো নির্দিষ্ট জঙ্গি সংগঠনের সদস্য হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। একইভাবে কোনো সংগঠনের নামে দাবি বা প্রচারণা থাকলেও তার সত্যতা যাচাই প্রয়োজন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্তে সাংগঠনিক যোগাযোগ, অর্থের উৎস, প্রশিক্ষণ, যোগাযোগের মাধ্যম, বিস্ফোরক সংগ্রহের উৎস এবং সম্ভাব্য লক্ষ্য সম্পর্কে তথ্য পাওয়া গেলে তবেই প্রকৃত চিত্র পরিষ্কার হবে।

মাঠপর্যায়ের সব ইউনিটকে তাৎক্ষণিক নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের নির্দেশ দিল পুলিশ সদর দপ্তর। ছবি : সংগৃহীত
নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সাবেক আইজিপি নুরুল হুদার মতে, জাতিসংঘের প্রতিবেদনে সুনির্দিষ্ট তথ্যের কিছুটা ঘাটতি থাকলেও সেটিকে অমূলক ধরে বসে থাকার সুযোগ নেই। তাঁর মতে, গোয়েন্দা তৎপরতা ও তদন্ত আরও জোরদার করা প্রয়োজন। উগ্রবাদবিরোধী কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা জরুরি বলেও তিনি মনে করেন।
নুরুল হুদা বলেন, এ ধরনের হুমকি দীর্ঘমেয়াদে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তা ও জঙ্গিবিরোধী অভিযানিক কৌশলগুলো নতুন করে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। যারা সহিংসতা ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য হাসিল করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত সন্ত্রাসবিরোধী আইনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন।
তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যথাযথ তদন্ত ছাড়া তাড়াহুড়ো করে কোনো ঘটনাকে জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত করা ঠিক হবে না। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক বোমা উদ্ধারের ঘটনাগুলোর পেছনে প্রকৃত উদ্দেশ্য কী, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে।
অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হকের মতে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোকে শুধু বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। গ্রেপ্তার, বোমা ও বিস্ফোরক তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার এবং সাম্প্রতিক বিস্ফোরণের ঘটনাগুলো উগ্রবাদী কার্যক্রমের সম্ভাব্য ইঙ্গিত বহন করতে পারে। তবে প্রতিটি ঘটনার আলাদা তদন্ত করে প্রকৃত সাংগঠনিক যোগাযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
তিনি বলেন, কোনো ঘটনার পেছনে জঙ্গি সংগঠন জড়িত কি না, তা তদন্ত ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। রাজনৈতিক বা অন্য কোনো স্বার্থে উগ্রবাদী গোষ্ঠীকে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন। পর্যাপ্ত প্রমাণ ছাড়া ঢালাওভাবে কোনো ব্যক্তি বা সংগঠনকে দায়ী করলে প্রকৃত অপরাধীরা আড়ালে থেকে যেতে পারে।
তাঁর মতে, কোনো গোষ্ঠী যদি ছোট পরিসরে বোমা তৈরি, বিস্ফোরক মজুত কিংবা পরীক্ষামূলক হামলার মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা যাচাই করে থাকে, তাহলে সেটিকে ভবিষ্যৎ বড় ধরনের নাশকতার সম্ভাব্য পূর্বাভাস হিসেবেও বিবেচনা করা প্রয়োজন। তবে এই আশঙ্কা বাস্তব কি না, তা গোয়েন্দা তথ্য ও তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত করতে হবে।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় অতীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিটগুলো বড় ধরনের অভিযান পরিচালনা করেছে। কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট এবং অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটসহ বিভিন্ন সংস্থা জঙ্গি নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও ভেঙে দেওয়ার কাজে যুক্ত রয়েছে। তবে রাজনৈতিক অস্থিরতা, কারাগার থেকে জঙ্গিদের পালিয়ে যাওয়া এবং বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্তদের জামিনে মুক্তির মতো ঘটনাগুলো নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, সরকারিভাবে বাংলাদেশে বড় ধরনের জঙ্গি তৎপরতার ঝুঁকি নেই বলে দাবি করা হলেও সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই দাবিকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। একদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, বড় কোনো হামলার সুনির্দিষ্ট তথ্য নেই, অন্যদিকে একের পর এক বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনা এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সতর্কবার্তা নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও সক্রিয় করার প্রয়োজনীয়তা সামনে আনছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোরও যেমন প্রয়োজন নেই, তেমনি একে ছোট করে দেখারও সুযোগ নেই। বোমা উদ্ধারের প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে তদন্তের পাশাপাশি ঘটনাগুলোর মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা বিশ্লেষণ করা জরুরি। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের ধরন, তৈরির কৌশল, উপকরণের উৎস, অর্থের জোগান, অভিযুক্তদের যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য লক্ষ্য সম্পর্কে তথ্য বিশ্লেষণ করলে একটি সমন্বিত চিত্র পাওয়া যেতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় রাজনৈতিক পরিচয় বা দলীয় স্বার্থের বাইরে গিয়ে গোয়েন্দা তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত পরিচালনা করা। কোনো ঘটনাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জঙ্গিবাদ হিসেবে দেখানো কিংবা প্রকৃত জঙ্গি তৎপরতাকে রাজনৈতিক বিবেচনায় আড়াল করা, দুটিই জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই সাম্প্রতিক বোমা উদ্ধার, সম্ভাব্য নব্য জেএমবি তৎপরতা এবং জাতিসংঘের আল-কায়েদা সংক্রান্ত সতর্কবার্তাকে সামনে রেখে গোয়েন্দা নজরদারি, আন্তঃসংস্থা সমন্বয় এবং নিরপেক্ষ তদন্ত জোরদার করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au