নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই:কাদায় চাপা পড়েছে সব, ভেঙেছে ছাদও
নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সুড়ঙ্গের শেষ…
ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় একটি তালাবদ্ধ ভাড়া বাসা থেকে নবজাতকসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাতে মধ্য জামগড়া এলাকার হাজী হযরত আলীর চারতলা বাড়ির দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষ থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়। নিহত এক পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহ পাওয়ায় ঘটনাটিকে হত্যাকাণ্ড হিসেবে সন্দেহ করছে পুলিশ।
স্থানীয়দের বরাতে জানা গেছে, ওই কক্ষে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে একজন নারী ও একজন পুরুষ বসবাস করতেন। বাসা ভাড়া নেওয়ার পর থেকেই কক্ষটির দরজা-জানালা অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকত। পরে কক্ষটি থেকে পচা দুর্গন্ধ বের হলে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। সন্দেহ হওয়ায় তারা পুলিশকে খবর দেন।
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে কক্ষটির তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন। পরে নবজাতকসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় এক পুরুষের গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পাওয়া যায়।
ঘটনার খবর পেয়ে সিআইডির ফরেনসিক টিম এবং ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা কক্ষটি থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করেন এবং ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেন।
তবে নিহত তিনজনের পরিচয় এবং কীভাবে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের মধ্যে নবজাতকসহ অন্য দুজনের সঙ্গে ওই ভাড়া বাসায় থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্ক কী ছিল, সেটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে জামগড়া এলাকা থেকে নবজাতকসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
তিনি জানান, মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অধিকতর তদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au