ইরান ছাড়তে জীবন বাজি রেখেছিলেন দুই ফুটবলার
ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকৃতি জানানো যে তাঁদের জন্য কতটা ভয়ংকর পরিণতি ডেকে আনতে পারে, তা জানতেন ফুটবলার আতেফেহ রামেজানিসাদেহ ও ফাতেমেহ পাসানদিদেহ। কারাবাস, পরিবারের…
ভাঙচুর ও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা আরও দুই মামলায় সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে জামিন দিয়েছেন হাই কোর্ট।
রোববার বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাই কোর্ট বেঞ্চ জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এ আদেশ দেন।
চিন্ময় দাসের আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য জানান, চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় করা দুই মামলার মধ্যে একটি ভাঙচুর এবং অন্যটি পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা।
এর আগে গত ৩ আগস্ট একই বেঞ্চ ভাঙচুর, হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা আরও দুই মামলায় চিন্ময় দাসকে জামিন দিয়েছিলেন।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন থাকায় আপাতত কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।
আইনজীবী অপূর্ব কুমার ভট্টাচার্য জানান, চিন্ময় দাসের বিরুদ্ধে মোট আটটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে দুটি ধামকেন্দ্রিক সিআর মামলায় তিনি আগেই জামিন পেয়েছেন। সমসাময়িক সময়ে হওয়া ছয় মামলার মধ্যে পাঁচটিতে তাঁর জামিন হয়েছে। চারটি মামলায় হাই কোর্টের রুলের বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়েছে। আর একটি মামলা আপিল বিভাগে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে।
এ ছাড়া আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলাটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ২০২৪ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে কারাগারে আটক রয়েছেন। জাতীয় পতাকা অবমাননার অভিযোগে করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার মধ্য দিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। ওই বছরের ৩১ অক্টোবর চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানায় ১৯ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন তৎকালীন চান্দগাঁও মোহরা ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ খান।
ওই মামলায় ২৫ নভেম্বর ঢাকার কাছ থেকে চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাঁকে চট্টগ্রামের আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। এ সময় তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংঘর্ষের মধ্যে আদালত-সংলগ্ন এলাকায় আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন।
এ ঘটনায় আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন বাদী হয়ে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। পরে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই মামলায়ও চিন্ময় দাসকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন আদালত।
এ ছাড়া হত্যাচেষ্টা, হামলা, সরকারি কাজে বাধা, আইনজীবী ও বিচারপ্রার্থীদের ওপর হামলা এবং ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে পুলিশের করা তিনটি এবং আলিফের ভাইয়ের করা একটি মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au