আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে রাশেদ খাঁনের নানা অভিযোগ
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক সংসদ সদস্যদের ‘প্রটেকশন’ ও পুনর্বাসনের অভিযোগ তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী (সচিব…
ইন্দোনেশিয়ার জাভা সাগরে ২৪৩ জন আরোহী নিয়ে ‘ভার্গো ট্রান্সপোর্ট ৮’ নামে একটি যাত্রীবাহী ফেরি উল্টে অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন ১২৯ যাত্রী। দুর্ঘটনার পর সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকে ১২টি উদ্ধারকারী জাহাজ নিয়ে বড় পরিসরে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে।
বানজারমাসিন উদ্ধারকারী সংস্থার প্রধান আই পুতু সুদায়ানা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর এ পর্যন্ত ১০৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে ৬২২ জন কর্মী অংশ নিচ্ছেন। সাগরে তল্লাশি চালিয়ে ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
ফেরিটি পূর্ব জাভার সুরাবায়া বন্দর থেকে দক্ষিণ কালিমান্তানের বানজারমাসিনের উদ্দেশে যাচ্ছিল। পথে সাগরে প্রবল ঢেউয়ের কবলে পড়ে ফেরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায় বলে জানিয়েছেন জাতীয় উদ্ধার সংস্থার কর্মকর্তা এডি প্রাকোসো ও ইন্দোনেশিয়ার পরিবহনমন্ত্রী ডুডি পুরওয়াগান্ধি।
তাদের তথ্য অনুযায়ী, প্রবল ঢেউ ফেরিটির ডান পাশে প্রচণ্ড শক্তিতে আঘাত করলে সেটি ভারসাম্য হারিয়ে দ্রুত উল্টে যায়। দুর্ঘটনার সময় আকাশে থাকা একটি হেলিকপ্টার থেকে প্রথম ফেরিডুবির বিষয়টি নজরে আসে। পরে দ্রুত উদ্ধারকারী দলকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
উদ্ধারকারী দল এখনো নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধানে সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে। উদ্ধার অভিযানে ১২টি জাহাজের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক কর্মী অংশ নিয়েছেন। নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের আশায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তবে ফেরিটি ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল, তা এখনো নিশ্চিত নয়। প্রবল ঢেউয়ের আঘাতকে দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও ঘটনার পূর্ণাঙ্গ কারণ জানতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলছে।
প্রায় ১৭ হাজারের বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়ায় এক দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যাতায়াতের ক্ষেত্রে ফেরি ও অন্যান্য নৌযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তুলনামূলক সহজলভ্য ও কম খরচের কারণে দেশটির বিপুলসংখ্যক মানুষ প্রতিদিন সমুদ্রপথের ওপর নির্ভর করেন।
তবে দেশটিতে নৌযান দুর্ঘটনাও নিয়মিত ঘটে। গত মাসেই দুটি পৃথক ফেরিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আরও ছয়জন প্রাণ হারিয়েছিলেন। এবার জাভা সাগরে বড় এই দুর্ঘটনা দেশটির ফেরি ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সুত্রঃরয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au