বাংলাদেশ

মতামতঃ বি কে সরোর লালন

অনলাইন শিক্ষার প্রভাবে কি কমছে শিক্ষার্থীর মনোযোগ ও গভীরভাবে শেখার অভ্যাস?

  • 11:16 pm - September 30, 2026
  • পঠিত হয়েছে:৩৭ বার
বি কে সরোর লালন

একসময় শিক্ষার্থীদের শেখার প্রধান মাধ্যম ছিল বই। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বই খুলে বসা, একটি অধ্যায় শেষ করা, কঠিন বিষয় বারবার পড়া, না বুঝলে আবার পড়া এবং নিজের ভাষায় বিষয়টি ব্যাখ্যা বা লিখে প্রকাশ করার মধ্য দিয়েই শেখার অভ্যাস তৈরি হতো। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সেই জায়গায় দ্রুত প্রবেশ করেছে অনলাইন শিক্ষা। মোবাইল খুলে নির্দিষ্ট লিংকে প্রবেশ করলেই শিক্ষক পড়াচ্ছেন, ভিডিও চলছে, ক্লাস শেষ হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থীর মনে তখন তৈরি হচ্ছে, ক্লাস করা মানেই পড়া শেষ।

কিন্তু ক্লাস করা আর শেখা এক বিষয় নয়। অনলাইন শিক্ষা নিজে কোনো সমস্যা নয়, বরং সঠিকভাবে ব্যবহার করা গেলে এটি শিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক মাধ্যম হতে পারে। প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থী, অসুস্থ শিক্ষার্থী, কর্মজীবী শিক্ষার্থী কিংবা নির্দিষ্ট বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক নিজ এলাকায় না পাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন শিক্ষা বড় সুযোগ তৈরি করেছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় বাংলাদেশে অনলাইন ও অন্যান্য দূরশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু না থাকলে শিক্ষাব্যবস্থার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারত।

সমস্যা শুরু হয় তখনই, যখন অনলাইন শিক্ষা সহায়ক মাধ্যমের পরিবর্তে শিক্ষার প্রধান সংস্কৃতিতে পরিণত হয়। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে শিক্ষার্থীর মনোযোগের ওপর।

বই সামনে রাখলে বই মূলত একটি কাজই করতে বলে, পড়তে। কিন্তু মোবাইল একই সঙ্গে শিক্ষক, বিনোদন, সামাজিক যোগাযোগ, গেম, ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক ও মেসেঞ্জারের মাধ্যম। একই যন্ত্রে ক্লাস করার পাশাপাশি নানা ধরনের বিভ্রান্তির সুযোগও থাকে। ফলে ক্লাসের সময় মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নিয়ে করা বিভিন্ন গবেষণাতেও অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ, ইন্টারনেট সমস্যা এবং পাঠ বোঝার ক্ষেত্রে নানা বাধার কথা উঠে এসেছে। একটি গবেষণায় ৬৭ শতাংশ শিক্ষার্থী অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যার কথা জানিয়েছে। বিপরীতে মাত্র ২৩ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছে, তারা অনলাইন ক্লাসে বিষয় ভালোভাবে বুঝতে পারে।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন হলো, যে শিক্ষার্থী ৩০ মিনিট মনোযোগ দিয়ে বই পড়তে পারে না, সে কি চার ঘণ্টার অনলাইন ভিডিও দেখে সত্যিকার অর্থে বিষয়টি শিখতে পারছে, নাকি শুধু তথ্য গ্রহণ করছে?

অনলাইন শিক্ষার আরেকটি বড় সমস্যা হলো শেখার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্রিয় অংশগ্রহণ কমে যাওয়ার ঝুঁকি। শিক্ষক যদি ৪০ মিনিট ধরে একটি অধ্যায় পুরোপুরি বুঝিয়ে দেন, শিক্ষার্থী হয়তো মনোযোগ দিয়ে তা শুনল। কিন্তু পরীক্ষার সময় প্রশ্নটি নিজের ভাষায় লিখতে হবে, উত্তর তৈরি করতে হবে এবং যুক্তি দিয়ে বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে হবে। সেখানে শুধু শুনে যাওয়ার অভ্যাস যথেষ্ট নয়।

শিক্ষক যখন সবসময় শিক্ষার্থীর হয়ে চিন্তা করেন এবং পাঠকে সহজ করে দেন, তখন শিক্ষার্থীর নিজের চিন্তা করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যেতে পারে। শুধু মুখস্থ করে উত্তর দেওয়ার প্রবণতাও তৈরি হতে পারে। শিক্ষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে এটিই অনলাইন শিক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ।

বই পড়ার অভ্যাস কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তারও একটি ব্যাখ্যা রয়েছে। বই পড়ার সময় মস্তিষ্ককে ধৈর্য ধরে কাজ করতে হয়। একটি অনুচ্ছেদ শেষ করতে হয়, কঠিন বাক্যে আটকে থাকতে হয়, অপরিচিত শব্দের অর্থ বুঝতে হয় এবং আগের অনুচ্ছেদের সঙ্গে পরের অনুচ্ছেদের সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। এরপর পুরো বিষয়টি নিজের মনে আবার সাজিয়ে নিতে হয়।

অর্থাৎ গভীরভাবে পড়ার জন্য ধৈর্য প্রয়োজন। এই ধৈর্য যদি কমে যায়, তাহলে সমস্যাটি শুধু বাংলা বা ইংরেজি বই পড়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। জটিল প্রশ্ন বোঝা, একাডেমিক লেখা পড়া, পরীক্ষার অনুচ্ছেদ বিশ্লেষণ, গবেষণাপত্র পড়া, আইন বা নথিপত্র বোঝা, চাকরির লিখিত পরীক্ষায় উত্তর দেওয়া কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যবই পড়ার ক্ষেত্রেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

শিক্ষার ক্ষেত্রে আরেকটি বড় ভুল হলো ভিডিও দেখা বা অনলাইন ক্লাসের সময়কে শেখার পরিমাপ হিসেবে বিবেচনা করা। একজন শিক্ষার্থী কতটি ক্লাস করেছে, কতটি ভিডিও দেখেছে বা কত ঘণ্টা অনলাইনে ছিল, সেটিই মূল বিষয় হওয়া উচিত নয়। বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, সে কতটুকু পড়েছে, কতটুকু বুঝেছে, কতটুকু মনে রাখতে পেরেছে, নিজের ভাষায় কতটুকু লিখতে পারছে এবং একটি বিষয় অন্যকে কতটা ব্যাখ্যা করতে পারছে।

অনলাইন শিক্ষার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হলো আত্মনিয়ন্ত্রণ বা নিজের পড়াশোনাকে নিজে পরিচালনা করার ক্ষমতা। শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক সামনে থাকেন, সহপাঠীরা থাকে, নির্দিষ্ট সময় ও জায়গা থাকে এবং একটি সামাজিক পরিবেশ তৈরি হয়। অনলাইনে শিক্ষার্থী চাইলে বিছানায় বসেও ক্লাস করতে পারে। একই সঙ্গে অন্য ট্যাব খুলে মেসেজ দেখা, ফেসবুক ব্যবহার বা ইউটিউবের অন্য ভিডিও দেখার সুযোগও থাকে।

তাই অনলাইন শিক্ষায় আত্মনিয়ন্ত্রণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী একজন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে একজন সম্পূর্ণ পরিণত মানুষের মতো আত্মনিয়ন্ত্রণ সবসময় আশা করা কতটা বাস্তবসম্মত, সেটিও বিবেচনা করা প্রয়োজন। এখানেই অভিভাবক ও শিক্ষকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার আরেকটি বাস্তবতা হলো, এটি অনেকাংশে পরীক্ষাকেন্দ্রিক। শিক্ষার্থীরা প্রায়ই জানতে চায়, কোন বিষয় পরীক্ষায় আসবে, কত নম্বর থাকবে কিংবা কীভাবে মুখস্থ করলে ভালো ফল করা যাবে। এর সঙ্গে অনলাইন শিক্ষার প্রবণতা যুক্ত হলে তৈরি হতে পারে একটি ঝুঁকিপূর্ণ সমন্বয়, যেখানে ছোট ভিডিও, সংক্ষিপ্ত নোট, সাজেশন, বহুনির্বাচনী প্রশ্ন এবং মুখস্থনির্ভর পড়াশোনা প্রাধান্য পায়।

তখন শিক্ষার্থীর মনে প্রশ্ন তৈরি হতে পারে, পুরো বই পড়ার প্রয়োজন কী? শিক্ষক তো ভিডিওতেই বুঝিয়ে দিয়েছেন। পিডিএফ আছে, সংক্ষিপ্ত সাজেশন আছে, লেকচার শিট আছে, গুগলে তথ্য পাওয়া যায়। এভাবে ধীরে ধীরে বই শিক্ষার্থীর কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হতে পারে। অথচ বই পড়ার অভ্যাস দুর্বল হয়ে যাওয়া শিক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্কসংকেত।

তাহলে কি অনলাইন শিক্ষা বন্ধ করে দিতে হবে? উত্তর হলো, না। বরং প্রয়োজন অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষাকে সমন্বয় করা। ভবিষ্যতের কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা হতে পারে এমন একটি পদ্ধতি, যেখানে শিক্ষার্থী অনলাইনে ভালো বক্তৃতা শুনবে, কঠিন বিষয় বুঝবে, দক্ষ শিক্ষকের কাছ থেকে শিখবে, রেকর্ড করা ক্লাস প্রয়োজন অনুযায়ী আবার দেখবে এবং বিভিন্ন ডিজিটাল উপকরণ ব্যবহার করবে।

অন্যদিকে অফলাইন শিক্ষায় শিক্ষার্থী বই পড়বে, লিখবে, আলোচনা করবে, শিক্ষককে প্রশ্ন করবে, উপস্থাপনা দেবে, সহপাঠীদের সঙ্গে বিতর্ক করবে, লাইব্রেরিতে বসে পড়বে এবং নির্দিষ্ট সময় একাগ্রভাবে পড়াশোনা করবে। অর্থাৎ অনলাইন হতে পারে শিক্ষক ও জ্ঞান পাওয়ার মাধ্যম, বই হতে পারে চিন্তা করার মাধ্যম, লাইব্রেরি হতে পারে মনোযোগ ধরে রাখার জায়গা এবং শ্রেণিকক্ষ হতে পারে পারস্পরিক আলোচনার জায়গা। লেখালেখি হতে পারে শেখার বাস্তব পরীক্ষা।

এ ক্ষেত্রে একটি সহজ নিয়ম অনুসরণ করা যেতে পারে, এক ঘণ্টা অনলাইন শিক্ষার সঙ্গে অন্তত এক ঘণ্টা অফলাইন শেখার সুযোগ রাখা। একটি অনলাইন বক্তৃতা দেখার পর সংশ্লিষ্ট পাঠ্যবই পড়া, একটি অধ্যায় পড়ার পর নিজের ভাষায় তার সারাংশ লেখা, একটি বই পড়ার পর নিজের মতামত প্রকাশ করা এবং একটি বিষয় শেখার পর অন্য কাউকে তা বোঝানোর অভ্যাস তৈরি করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী শুধু তথ্য গ্রহণকারী না হয়ে সক্রিয়ভাবে শেখার প্রক্রিয়ায় যুক্ত হবে।

বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীর সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হয়তো মোবাইল, ইন্টারনেট কিংবা এমনকি ভালো শিক্ষকও নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হলো মনোযোগ। যে শিক্ষার্থী টানা ৬০ মিনিট একটি বই পড়তে পারে, কোনো বিষয় নিয়ে ৩০ মিনিট গভীরভাবে চিন্তা করতে পারে, নিজের হাতে কয়েক পৃষ্ঠা লিখতে পারে এবং একটি কঠিন বিষয় না বোঝা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যেতে পারে, সে ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করছে।

কারণ ভবিষ্যতে আরও উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আরও ভালো ভিডিও এবং আরও দ্রুত তথ্য পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। কিন্তু ধৈর্য ধরে পড়া, চিন্তা করা এবং নিজের মস্তিষ্ক ব্যবহার করে কোনো সমস্যার সমাধান করার ক্ষমতার বিকল্প তৈরি করা কঠিন।

তাই আসল প্রশ্ন অনলাইন শিক্ষা বনাম অফলাইন শিক্ষা নয়। বরং প্রশ্ন হলো, আমরা কেমন শিক্ষার্থী তৈরি করতে চাই? এমন শিক্ষার্থী, যে শত শত ভিডিও দেখেছে, নাকি এমন শিক্ষার্থী, যে একটি বই পড়ে নিজের মতামত তৈরি করতে পারে? এমন শিক্ষার্থী, যে শত শত বহুনির্বাচনী প্রশ্ন মুখস্থ করেছে, নাকি এমন শিক্ষার্থী, যে নতুন কোনো প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে নিজের যুক্তি দিয়ে উত্তর তৈরি করতে পারে?

কোভিড-১৯ মহামারির সময় বাংলাদেশে দূরশিক্ষণ ছিল জরুরি একটি সমাধান। তবে এর পাশাপাশি ইউনিসেফ ও বিশ্বব্যাংকের মূল্যায়নে শিক্ষায় প্রবেশাধিকার, শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণ, শেখার ঘাটতি এবং বৈষম্যের মতো সমস্যাগুলোও উঠে এসেছে।

তাই অনলাইন শিক্ষার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন অনলাইন শিক্ষার অন্ধ ব্যবহার থেকে বেরিয়ে আসা। প্রযুক্তি শিক্ষার বিকল্প নয়, এটি শিক্ষার একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। আর হাতিয়ার যত শক্তিশালী হবে, সেটির সঠিক ব্যবহার শেখানোও তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।

সবশেষে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু শিক্ষার্থীর হাতে আরও বেশি তথ্য তুলে দেওয়া নয়, বরং তাকে নিজের মাথা ব্যবহার করতে শেখানো। বই পড়া, লেখা, আলোচনা, শিক্ষক ও লাইব্রেরির সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখার পাশাপাশি প্রযুক্তিকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই অনলাইন ও অফলাইন শিক্ষার মধ্যে একটি কার্যকর ভারসাম্য তৈরি করা সম্ভব।

এই শাখার আরও খবর

হাদির নাম মুছে আগের নামেই ফিরছে ‘শেখ মুজিবুর রহমান হল’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটকে আবারও আগের নামফলক ফিরিয়ে আনার কাজ শুরু হয়েছে। ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ নামফলক সরিয়ে সেখানে পুনরায়…

বাংলাদেশ সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ১৪ সদস্যের দল ঘোষণা

বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠের আন্তর্জাতিক সিরিজকে সামনে রেখে ১৪ সদস্যের নারী ক্রিকেট দল ঘোষণা করেছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া। বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর জাতীয় নির্বাচক প্যানেল…

​ইতিহাস মুছে ফেলার অপচেষ্টা: বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি বন্ধের নেপথ্য রাজনীতি

​ইতিহাস কোনো নিছক কালপঞ্জি বা অতীতের মৃত দলিল নয়; ইতিহাস হলো একটি জাতির আত্মপরিচয়ের দর্পণ, অস্তিত্বের মূল শেকড়। সেই শেকড়েই যখন কুঠারাঘাত করা হয়, তখন…

নিরাপত্তার জন্য দেশ ছাড়লেও সাংবাদিকতা ছাড়েননি বাংলাদেশি সাংবাদিক

নিরাপত্তার কারণে বাংলাদেশ ছাড়তে বাধ্য হওয়া এক সাংবাদিক বলেছেন, দেশ থেকে দূরে থাকলেও সাংবাদিকতা থেকে সরে দাঁড়াননি তিনি। ইউরোপীয় সেন্টার ফর প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ফ্রিডমকে…

ফাঁসি হলেও আওয়ামী লীগ করব: সাবিনা তুহিন

আওয়ামী লীগ করার কারণে শাস্তি হলেও দলটির রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাবিনা আক্তার তুহিন। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় অভিযোগ গঠনের…

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহার করল ইতালি

ইরাক থেকে সব সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে ইতালি। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে ইতালির প্রায় ১২ বছরের সামরিক উপস্থিতির অবসান হলো। নির্ধারিত ৩০…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au