অস্ট্রেলিয়া

পলিন হ্যানসনকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য:রক্ষণশীল জোট গঠনে দূরত্বে কোয়ালিশন ও ওয়ান নেশন

  • 3:03 am - October 22, 2026
  • পঠিত হয়েছে:১৬ বার
১৩ অক্টোবর ক্যানবেরার পার্লামেন্ট হাউসে অস্ট্রেলিয়ান চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এসিসিআই) বিজনেস লিডার্স সামিটে বক্তব্য দিচ্ছেন সিনেটর ও ওয়ান নেশন পার্টির নেতা পলিন হ্যানসন। ছবি: নিউজওয়্যার/মার্টিন ওলম্যান।

অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে লেবার সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে রক্ষণশীল দলগুলোর ঐক্যের আহ্বান উঠেছে। কিন্তু পলিন হ্যানসন ও অ্যাঙ্গাস টেলরের অবস্থান, নেতৃত্বের প্রশ্ন এবং আসন ভাগাভাগি নিয়ে মতপার্থক্য সেই সম্ভাবনাকে জটিল করে তুলছে।

অস্ট্রেলিয়ার কনজারভেটিভ পলিটিক্যাল অ্যাকশন কনফারেন্স (সিপিএসি)-এর মঞ্চে ওয়ান নেশন পার্টির নেতা পলিন হ্যানসন কার্যত লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টির সমন্বয়ে গঠিত কোয়ালিশনকে একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

তিনি বলেন, “এই ভয়াবহ লেবার সরকারকে সরাতে ওয়ান নেশন লিবারেল ও ন্যাশনাল পার্টির সঙ্গে কাজ করবে।”

তবে পরে হ্যানসন স্পষ্ট করেন, তাঁর প্রস্তাব কোনো আনুষ্ঠানিক জোট গঠনের নয়। বরং সরকার গঠন ও টিকিয়ে রাখতে আস্থা ও সরবরাহসংক্রান্ত (সাপ্লাই অ্যান্ড কনফিডেন্স) সমঝোতার মধ্যেই এর সীমা থাকবে।

হ্যানসনের এই শর্তসাপেক্ষ সমর্থনের নানা দিক নিয়ে প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। তবে তার আগে কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নেওয়া জরুরি।

নিউজ২৪ ডটকম ডটএইউতে এর আগে আমি লিখেছি, অস্ট্রেলিয়াকে রক্ষার স্বার্থে কোয়ালিশন ও ওয়ান নেশনের মধ্যে সহযোগিতা এখন অত্যন্ত জরুরি।

এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হতে হবে প্রতিনিধি পরিষদে (হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস) ৭৬টি আসন এবং সম্ভব হলে সিনেটে ৩৮টি আসন নিশ্চিত করা। অন্য সব বিবেচনা, ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও নেতৃত্বের অহংকারকে এই লক্ষ্য অর্জনের অধীন থাকতে হবে।

এই দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সিপিএসির মঞ্চে অ্যাঙ্গাস টেলরের বক্তব্য হতাশাজনক। কার্ল স্টেফানোভিচের সঙ্গে আলোচনায় টেলর আবারও কার্যত তাঁর সেই অবস্থানেই অনড় থাকেন যে, ওয়ান নেশনের সঙ্গে কোয়ালিশন আনুষ্ঠানিক কোনো সমঝোতায় যাবে না এবং যৌথভাবে কাজ করবে না।

রাজনীতিতে কোনো কিছুই চূড়ান্তভাবে পূর্বনির্ধারিত নয়, এটা সত্য। কিন্তু কোয়ালিশন ও ওয়ান নেশন কীভাবে একসঙ্গে কাজ করতে পারে, সেই প্রশ্নটি এখন যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক। কারণ, দুই পক্ষের সহযোগিতা নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও বাস্তবে সেই সহযোগিতার কাঠামো কেমন হবে, তা নির্ধারণের উদ্যোগ খুব কমই দেখা গেছে। আমিও এ নিয়ে আলোচনায় অংশ নিয়েছি।

নিউজ২৪ ডটকম ডটএইউতে আমার আগের এক নিবন্ধে আমি লিখেছিলাম, টেলর, হ্যানসন ও ম্যাট ক্যানাভানকে নীতিমালা, নির্বাচনী আসন এবং মন্ত্রিসভার পদ বণ্টন নিয়ে সুসংগঠিত সমঝোতায় পৌঁছাতে হবে। এর মাধ্যমেই কোয়ালিশন ও ওয়ান নেশন যৌথভাবে সরকার পরিচালনার পথ তৈরি করতে পারে।

কে হবেন পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী?

এবার সবচেয়ে স্পর্শকাতর প্রশ্নটিতে আসা যাক: প্রধানমন্ত্রী কে হবেন?

আমার মতে, অস্ট্রেলিয়ার পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়া উচিত অ্যাঙ্গাস টেলরের। কারণ, তিনি ইতিমধ্যে প্রতিনিধি পরিষদের সদস্য। অন্যদিকে, পলিন হ্যানসন সিনেটের সদস্য।

রাজনীতিবিদেরা কখনো কখনো এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার পরিবর্তনের জন্য সেই পথ অনুসরণ করাই কি সবচেয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত হবে?

অবশ্য, ম্যাট ক্যানাভানের জন্য ক্যাপ্রিকর্নিয়া আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পক্ষে যুক্তি রয়েছে, যদি ন্যাশনাল পার্টির বর্তমান সংসদ সদস্য মিশেল ল্যান্ড্রি অবসর নেন। আসনটি বর্তমানে ন্যাশনাল পার্টির দখলে। ক্যানাভান সেখানে প্রার্থী হলে লিবারেল পার্টির সঙ্গে ন্যাশনাল পার্টির সম্পর্ক আরও দৃঢ় হতে পারে। একই সঙ্গে কোয়ালিশনের অন্যতম নেতা আবারও প্রতিনিধি পরিষদ থেকে আসার সুযোগ তৈরি হবে।

তবে এ ধরনের সম্ভাব্য পরিবর্তন ছাড়া অন্য নেতাদের নিজেদের বর্তমান অবস্থানেই স্বচ্ছন্দ থাকা উচিত। এর মধ্যে হ্যানসন, টেলর ও বার্নাবি জয়েসও রয়েছেন।

নিউজ২৪ ডটকম ডটএইউর এক বিশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাপ্রিকর্নিয়া আসনে একটি সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণের কথা বিবেচনা করেছেন হ্যানসন। এর ফলে ওই আসনে ম্যাট ক্যানাভানের সঙ্গে তাঁর নির্বাচনী লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

কিন্তু এমন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে তা হবে চরম রাজনৈতিক ভুল।

একইভাবে হিউম আসনে টেলরকে হারানোর জন্য ওয়ান নেশনের প্রচারণা চালানোও হবে ভুল। এর পেছনের কারণ একই।

ওয়ান নেশন ও কোয়ালিশন যদি পরস্পরকে পরাজিত করতে গিয়ে নিজেদের নির্বাচনী শক্তি ক্ষয় করে, তাহলে লেবার সরকারকে হারানো নিশ্চিত হবে না। বরং উভয় দলের তৃণমূল কর্মীদের শ্রম, সমর্থকদের সময় এবং দাতাদের কষ্টার্জিত অর্থ অপচয় হবে। ভোটের পছন্দক্রম বা প্রেফারেন্সের প্রবাহও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এর ফলে লেবার পার্টির পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বাড়বে।

একইভাবে, হ্যানসনকে শুধু বিরোধীদলীয় নেতা বানানোই যদি মূল লক্ষ্য হয় এবং অন্য সব বিষয়কে ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়, সেটিও গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সম্মানের সঙ্গে বলছি, এই মনোভাব যেমন টেলরের ওয়ান নেশনের সঙ্গে কাজ করতে অনীহার মতোই আত্মকেন্দ্রিক, তেমনি বর্তমান পরিস্থিতিতে তা জাতীয় দায়িত্ব পালনেরও পরিচায়ক নয়।

প্রতিপক্ষকে হারানোর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন পুনরুদ্ধার

অস্ট্রেলিয়ার অর্থনীতি নিয়ে একটি সমালোচনা হলো, এখানে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করার চেয়ে বিদ্যমান সম্পদ কেনাবেচার ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। রাজনীতির ক্ষেত্রেও একই যুক্তি প্রয়োগ করা যায়।

কোয়ালিশন ও ওয়ান নেশনের লক্ষ্য হওয়া উচিত লেবার পার্টি, গ্রিনস এবং টিলসদের কাছ থেকে নির্বাচনী আসন পুনরুদ্ধার করা। পরস্পরের ভোট ও আসন কেড়ে নিয়ে নিজেদের শক্তি বাড়ানোর ভ্রান্ত ধারণায় আটকে থাকা নয়।

বিষয়টি বুঝতে হবে এভাবে: অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিকে আর মনোপলি খেলার মতো করে চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। অর্থাৎ, পছন্দের রাজনৈতিক দলটির পালা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করা, তারপর ২০০ ডলার নিয়ে আবার খেলা শুরু করা এবং শেষ পর্যন্ত সেই অর্থ খরচ করে ফেলার মতো চক্রে আটকে থাকলে চলবে না।

অস্ট্রেলিয়া এখন এমন সব আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি, যেগুলো ক্যানবেরার সিদ্ধান্তে নিয়ন্ত্রিত হয় না। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির প্রতিযোগিতা তার একটি উদাহরণ।

ইরানের যুদ্ধ যদি কোনো বিষয় স্পষ্ট করে থাকে, তা হলো এই সংঘাতের গতিপথে অস্ট্রেলিয়ার প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা কার্যত সীমিত।

এমন পরিস্থিতিতে লেবার পার্টি আবারও নির্বাচিত হলে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতিতে রক্ষণশীলদের প্রভাব বিস্তারের সুযোগ আরও সংকুচিত হয়ে পড়তে পারে।

যাঁরা অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন, তাঁদের কাছে এমন পরিণতি কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। এ কারণেই কোয়ালিশন ও ওয়ান নেশনের মধ্যে একটি কার্যকর, কৌশলগত এবং নির্বাচনে জয়লাভে সক্ষম জোট গঠনকে সর্বোচ্চ জাতীয় অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

আসন ভাগাভাগির বাস্তব পরীক্ষা

ওয়াইড বে আসনের কথাই ধরা যাক। আসনটির বর্তমান প্রতিনিধি লিউ ও’ব্রায়েন একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক। তিনি ন্যাশনাল পার্টির সদস্য। চলতি বছর প্রণীত ঘৃণামূলক বক্তব্যসংক্রান্ত আইনের বিরুদ্ধে প্রতিনিধি পরিষদে কোয়ালিশনের যে অল্প কয়েকজন সদস্য ভোট দিয়েছিলেন, তিনি তাঁদের একজন। ওয়ারেন ট্রাসের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার পর থেকে তিনি বিভিন্ন আইন ও জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট উদ্যোগের পক্ষেও কাজ করেছেন।

৬ অক্টোবর সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন ন্যাশনাল পার্টির নেতা ম্যাট ক্যানাভান। ছবি: নিউজওয়্যার/গে জেরার্ড।

কিছু জনমত জরিপের ইঙ্গিত, ওয়ান নেশনের কাছে ও’ব্রায়েন আসনটি হারাতে পারেন। এমনটি ঘটলে প্রকৃত অর্থে অস্ট্রেলিয়ার স্বার্থ নিয়ে চিন্তা করেন, এমন যেকোনো ব্যক্তিই হতাশ হবেন।

অন্যদিকে, ফারের আসনে ডেভিড ফারলির অবস্থান নিয়ে বিতর্ক ও তাঁর একের পর এক ভুল পদক্ষেপের মধ্যেও আসনটি এখন ওয়ান নেশনের দখলে রয়েছে। ফলে ফারার অস্ট্রেলিয়ার প্রতিনিধি পরিষদে রক্ষণশীলদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ৭৬টি আসন অর্জনের লক্ষ্যের অংশ।

তাহলে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা কেমন হওয়া উচিত?

ওয়ান নেশনের ওয়াইড বে আসনে প্রার্থী দেওয়া উচিত নয়। একইভাবে, কোয়ালিশনেরও ফারের আসনে প্রার্থী দেওয়া উচিত নয়।

এটাই প্রকৃত সহযোগিতার উদাহরণ। প্রতিটি আসনে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই না করে কোন আসনে কোন পক্ষের জয়ের সম্ভাবনা বেশি, তা বিবেচনা করে প্রার্থী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

এই বাস্তবতা বিবেচনায় আমার কাছে অ্যাঙ্গাস টেলরকে পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এগিয়ে রাখা, প্রয়োজনে ম্যাট ক্যানাভানকে ক্যাপ্রিকর্নিয়ায় মিশেল ল্যান্ড্রির উত্তরসূরি হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ দেওয়া এবং পলিন হ্যানসনকে সিনেটেই রাখার পরিকল্পনাটি সবচেয়ে বাস্তবসম্মত বলে মনে হয়।

কারণ, ২০২৮ সালে যদি অপ্রত্যাশিত কোনো রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়, তাহলে সিনেটে রক্ষণশীলদের নিয়ন্ত্রণই হয়তো শেষ ভরসা হয়ে উঠতে পারে।

স্লোগান নয়, দরকার কার্যকর রাজনৈতিক জোট

এখন পর্যন্ত ‘লেবারকে সবার শেষে রাখুন’ স্লোগান বাস্তব রাজনৈতিক সহযোগিতার তুলনায় অনেক দূরের বিষয়।

২৮ সেপ্টেম্বর ক্যানবেরার পার্লামেন্ট হাউসে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলছেন বিরোধীদলীয় নেতা অ্যাঙ্গাস টেলর। ছবি: নিউজওয়্যার/হিলারি ওয়ার্ডহ।

অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণশীল রাজনীতির সামনে প্রকৃত চ্যালেঞ্জ হলো, ওয়ান নেশন, ন্যাশনাল পার্টি ও লিবারেল পার্টির মধ্যে একটি কার্যকর ত্রিপক্ষীয় রাজনৈতিক সমঝোতা গড়ে তোলা।

এ ধরনের সমঝোতায় নেতৃত্ব, নীতি, নির্বাচনী আসন এবং মন্ত্রিসভার দায়িত্ব নিয়ে আগেই সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত থাকতে হবে। ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্ক্ষা কিংবা দলীয় অহংকারের কারণে সেই সমঝোতা ভেস্তে গেলে তার সুবিধা পাবে প্রতিপক্ষই।

পলিন হ্যানসন সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছেন, কিন্তু তাঁর প্রস্তাবের সীমা এবং অ্যাঙ্গাস টেলরের অনড় অবস্থান দেখিয়ে দিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যে এখনো যথেষ্ট দূরত্ব রয়েছে।

অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণশীলদের সামনে তাই প্রশ্নটি কেবল একসঙ্গে কাজ করার ইচ্ছা প্রকাশের নয়। বরং সেই ইচ্ছাকে বাস্তব নির্বাচনী কৌশল ও ক্ষমতা ভাগাভাগির পরিকল্পনায় রূপ দেওয়ার।

সেই পদক্ষেপ নেওয়া না হলে, লেবার সরকারকে পরাজিত করার লক্ষ্য অর্জনের পরিবর্তে রক্ষণশীল দলগুলো নিজেদের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেই শক্তি হারাতে পারে।

আলেকজান্ডার ভল্টজ একজন সংগীত রচয়িতা। নিউজ২৪ ডটকম ডটএইউতে লেখালেখির পাশাপাশি তিনি কোয়াড্রান্ট সাময়িকীর প্রতিষ্ঠাতা সংগীত সম্পাদক এবং দ্য স্পেকটেটর অস্ট্রেলিয়া-তেও লেখেন। দ্বিতীয় এলিজাবেথের সিংহাসনে আরোহণের ৭০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত প্লাটিনাম জুবিলি কনসার্টে তিনি পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর সংগীত অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্থানে এবং বিদেশেও পরিবেশিত হয়েছে।

সূত্র: নিউজ২৪ অস্ট্রেলিয়া

এই শাখার আরও খবর

কক্সবাজারে সমুদ্রে গোসলে নেমে ৩ পর্যটকের মৃত্যু, নিখোঁজ আরও ২

কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্রসৈকতে গোসল করতে নেমে তিন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও দুই পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন। তাঁদের উদ্ধারে অভিযান চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ।…

সৌদি আরবে নাগরিকদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর কূটনৈতিক সংকটে বাংলাদেশ

মক্কায় মসজিদের ভেতরে চুম্বনের অভিযোগে এক বাংলাদেশি পুরুষ ও এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে সৌদি আরব। তবে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডের রায় কিংবা তা কার্যকরের বিষয়ে সৌদি…

শুভ বিজয়া দশমী: অশুভের বিনাশ, সত্য ও মানবতার জয়

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ অধ্যায় বিজয়া দশমী। আনন্দ, বেদনা, আবেগ ও সম্প্রীতির এক অনন্য মেলবন্ধনে এই দিনটি বাঙালির হৃদয়ে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কয়েক দিনের উৎসব,…

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে চাপে বাংলাদেশের প্রধান পোশাকশিল্প

বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ও বিদ্যুৎ ঘাটতিতে উৎপাদন ব্যয় বাড়ছে। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প। সকাল ১১টা। ঢাকার উত্তরে আশুলিয়ায়…

নিহত যুবদল নেতার মাথার খুলিতে মিলল বুলেট, সিসিটিভিতে গুলির শব্দ

মাগুরা পৌরসভার পারনান্দুয়ালী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের কাউন্টারে নিহত যুবদল নেতা শাকের হোসেনের (৩৯) মাথার খুলির ভেতর থেকে একটি বুলেট পাওয়া গেছে। আজ বুধবার…

মাগুরায় নিহত যুবদল নেতার মাথার ভেতরে মিলল গুলি

ওটিএন বাংলা ডেস্ক : মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাকের হোসেনের মাথা থেকে একটি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে মাগুরা ২৫০…

স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au