আতঙ্কে রাতে আত্মীয়দের বাড়িতে থাকছেন মানিক পশারীর মেয়ে ও বোন
বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীকে দাফনে বাধা দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এখনও আতঙ্ক বিরাজ করছে। সরাসরি কারও কাছ থেকে হুমকি না পেলেও…
যশোরের কেশবপুর উপজেলায় ধানক্ষেতের পাশের একটি শ্যালো মেশিন ঘরের গর্ত থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক নারী ও এক পুরুষের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাতে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়। নিহতদের বয়স আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করছে পুলিশ। তবে তাঁদের পরিচয় ও মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি।
কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, শনিবার রাতে পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের একটি মাঠে সিরাজুল ইসলামের মাছের ঘেরসংলগ্ন শ্যালো মেশিন ঘরের গর্ত থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ওই গর্তের আশপাশ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছিল। বিষয়টি স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হলে তাঁরা সেখানে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করেন। একপর্যায়ে শ্যালো মেশিন ঘরের গর্তের ভেতরে দুটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁরা কেশবপুর থানা-পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।
ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, গর্তের মধ্যে পুরুষের মরদেহের ওপর নারীর মরদেহটি উপুড় হয়ে পড়ে ছিল। পুরুষের শরীরে একটি গামছা জড়ানো ছিল এবং নারীর পরনে ছিল ম্যাক্সি। মরদেহ দুটি অর্ধগলিত অবস্থায় পাওয়া গেছে। তাঁদের বয়স আনুমানিক ৪৫ থেকে ৫০ বছর হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনার খবর পেয়ে যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল এবং পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ পিবিআইয়ের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। তারা মরদেহের পরিচয় শনাক্তসহ ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে।
যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করতে প্রযুক্তির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের আঙুলের ছাপ সংগ্রহ করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তাঁদের মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
একই স্থানে নারী ও পুরুষের দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা কীভাবে সেখানে এলেন, কত দিন আগে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে এবং এটি হত্যাকাণ্ড কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। তবে এ বিষয়ে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au