মেলবোর্ন ১ জুলাই
শ্রীলঙ্কার সবচেয়ে বড় শহর কলম্বো। সেখানে ইতিহাস আর ঐতিহ্য নিয়ে গড়ে উঠেছে প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম। কলম্বোর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত স্টেডিয়ামটি। সেখানে টেস্ট ক্রিকেটের সর্বোচ্চ রান জয়সুরিয়ার ৩৪০। বাংলাদেশের নিদাহাস স্মৃতি, কলম্বোর ”আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম এমন হাজারো ইতিহাসের স্বাক্ষী। তবে ওয়ানডেতে এ মাঠে টানা ১২ পরাজয় মিরাজদের চিন্তার কারণ হতে পারে। তানজিম সাকিবের অভিষেকে ভারতকে হারানো থেকেও টাইগাররা অনুপ্রেরণা খুঁজতে পারে।
খেত্তারামা থেকে এই স্টেডিয়ামের নামকরণ করা হয় রানাসিংহে প্রেমাদাসা। লংকানদের হোম অব ক্রিকেট, আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম শ্রীলংকার সুন্দরতম স্টেডিয়ামগুলোর একটি।
১৯৮৬ সালে খেত্তারামার যাত্রা শুরু,প্রয়াত রাস্ট্রপতি রানাসিংহের স্মরণে নাম পরিবর্তন, ১৯৯৪ থেকে ২০২৫, ত্রিশ বছরে কতোশত ইতিহাস।
বাংলাদেশের মিশ্র রেকর্ড ৮৭ রানের লজ্জার সাথে, নিদাহাসের রিয়াদ কির্তী, আর প্রেমাদাসা তামিমের ওয়ানডে ক্রিকেটে ৬০০০ রানের স্বাক্ষী।
প্রেমাদাসায় ওয়ানডে ক্রিকেটে টাইগারদের কেবল ব্যর্থতারই গল্প, টানা ১২ ম্যাচে জয় বঞ্চিত ছিলো টিম বাংলাদেশ, তবে সবশেষ এশিয়াকাপেই ভারতের বিপক্ষে প্রেমাদাসার জুজু কাটান তৎকালীন ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসান, সেই সুখ স্মৃতিই শ্রীলংকার বিপক্ষে অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে!
ভারতের বিপক্ষে সে ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যাত্রা শুরু তানজিম সাকিবের, অভিষেকেই ঝলক দেখান ডান হাতি এই অলরাউন্ডার, ব্যাটে বলে দলের জয়ে অবদান রাখেন, শ্রীলংকার বিপক্ষে সুযোগ পেলে দারুণ কিছুই করতে চাইবেন, অনুশীলনেও তেমন কিছুর ইঙ্গিত দিলেন।
প্রেমাদাসার এই উইকেট গুলো ব্যাটিং সহায়ক, পেসারদের তুলনায় স্পিনাররাই বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন। মিরাজের দলে স্পিনারদেরই তাই আধিক্য থাকতে পারে!
প্রায় ছয় বছর পর লংকান মুলকে টাইগাররা সাদা বলের সিরিজ খেলবে , প্রেমাদাসায় ক্যাপ্টেন মিরাজের নতুন শুরুর গল্প হবে। নিদাহাস ট্রফির ট্র্যাজেডি পেড়িয়ে ওয়ানডে ক্রিকেটেও ফিরে আসার গল্প হবে।