আজ মাঠে নামবে বাংলার তরুণীরা। ছবি: সংগৃহীত
মেলবোর্ন ১১ জুলাই
সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপ নিশ্চিত করে স্থাপন করেছে সাফল্যের এক অনন্য নজির। এবার সেই সাফল্যের পালা ধরে রাখতে শুরু হচ্ছে সাফ অনূর্ধ্ব২০ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ এর এবারের আসর। টুর্নামেন্টের সবগুলো ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায়। চার জাতির এই টুর্নামেন্টকে ঘিরে ইতোমধ্যেই তৈরি হয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।
বাংলাদেশের নারী ফুটবলে গত কয়েক বছরে যেসব অর্জন এসেছে, তার মধ্যে অন্যতম ছিল সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জয়। এই টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ। এবার সেই সাফল্য ধরে রাখার পালা।
আজ থেকে বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় শুরু হতে যাচ্ছে এবারের আসর। যেখানে বাংলাদেশ ছাড়াও অংশ নিচ্ছে নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা। তবে টুর্নামেন্টের শেষ দিকে নিজেদের নাম সরিয়ে নেয় ভারত।
সিনিয়র টিমের বেশ কয়েকজন ফুটবলার খেলছেন এই দলে। জাতীয় দলের পর মেয়েদের অনূর্ধ্ব ২০ দলটির অধিনায়কও আফিদা খন্দকার। একের পর এক শিরোপার উচ্ছ্বাস নেওয়া আফিদার বিশ্বাস দলের ২৩ জন ফুটবলারই স্পেশাল। তার কন্ঠে আবারো শিরোপা জয়ের আশ্বাস।
দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে সম্প্রতি বাংলাদেশ নারী দল রয়েছে চালকের আসনে। তবে এই টুর্নামেন্টে অংশ নেওয়া বাকি তিন দলকেও সমীহ করছে আফিদা খন্দকার। তবুও ম্যাচ বাই ম্যাচ জয়ে শিরোপায় চোখ মেয়েদের।
বয়স ভিত্তিক এই প্রতিযোগিতাটি বাংলাদেশের তরুণী ফুটবলারদের জন্য কেবল একটি টুর্নামেন্টই নয়, বরং নিজেকে প্রমাণ করার একটি বড় মঞ্চও বটে। কম বয়সী মেয়েরা ইতোমধ্যেই নিজেদের স্কিল, পরিশ্রম আর মানসিক দৃঢ়তায় প্রমাণ করেছে—তারা পারে দেশের জন্য গর্ব বয়ে আনতে। ঘরোয়া লিগ, বিভিন্ন বয়সভিত্তিক আন্তর্জাতিক আসরে ধারাবাহিক ভালো পারফরম্যান্সের ফলেই আজ অনূর্ধ্ব-২০ দলটি এতটা প্রতিশ্রুতিশীল দল। ফিটনেস, গতি, এবং টেকনিক—সব মিলিয়ে প্রতিটি বিভাগেই রয়েছে তাদের দৃশ্যমান উন্নতি।
দর্শকদের উৎসাহ এবং দলের আত্মবিশ্বাস সব মিলিয়ে বাংলাদেশ দল এবারের আসরে অন্যতম ফেভারিট হিসেবেই মাঠে নামছে। কোচিং স্টাফ থেকে শুরু করে খেলোয়াড়রা সবাই আশাবাদী—সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে তারা। এখন শুধু অপেক্ষা মাঠের লড়াইয়ের, যেখানে লাল-সবুজের মেয়েরা আরও একবার দেখাবে—বাংলাদেশ নারী ফুটবলের সম্ভাবনা সীমাহীন।