হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ২৪ জুলাই-
সরকারি চাকরিজীবীরা আন্দোলনে জড়ালে বা সহকর্মীদের কাজ থেকে বিরত রাখতে উদ্বুদ্ধ করলে তাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো বা চাকরি থেকে বরখাস্ত করা যাবে—এমন বিধান যুক্ত করে ‘সরকারি চাকরি (দ্বিতীয় সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫’ জারি করেছে সরকার। বুধবার আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব হাফিজ আহমেদ চৌধুরীর স্বাক্ষরে এ অধ্যাদেশ জারি হয়।
বাসসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ৩৭ ধারা সংশোধন করে নতুন এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়। এতে বলা হয়, যদি কোনো সরকারি কর্মচারী নিজে দায়িত্ব পালন থেকে বিরত থাকেন বা অন্য কর্মচারীকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেন, তাহলে এটি ‘সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টি’ হিসেবে অসদাচরণ গণ্য হবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলক অবসর, পদাবনতি বা বরখাস্তের মতো শাস্তি দেওয়া যেতে পারে।
আইনজীবীরা বলছেন, অধ্যাদেশে ‘আন্দোলন’ শব্দটি সরাসরি উল্লেখ না থাকলেও যেভাবে কর্মবিরতি বা অন্যদের কাজে বাধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা মূলত আন্দোলন বা ধর্মঘটের দিকেই ইঙ্গিত করে।
প্রসঙ্গত, সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের আওতায় সংসদ ভেঙে যাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি এ অধ্যাদেশ জারি করেন। এতে বলা হয়, পরিস্থিতি এমন যে, সংসদ ছাড়াই জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই রাষ্ট্রপতির নির্দেশে এ অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।
সুত্রঃ বাসস
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au