হাসানের ৭ উইকেটে ওরচেস্টারশায়ারকে হারাল কেন্ট
ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে কেন্টকে জয় এনে দিয়েছেন বাংলাদেশের ডানহাতি পেসার হাসান মাহমুদ। ওরচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচে দুই ইনিংস মিলিয়ে ৭ উইকেট…
মেলবোর্ন, ৬ আগষ্ট- জুলাই ঘোষণাপত্রে গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট অন্তর্ভুক্ত না করায় তা বর্জনের হুমকি দিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। বুধবার (৬ আগস্ট) ঢাকার বিজয়নগরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ হুঁশিয়ারি দেন দলের শীর্ষ নেতারা।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সভাপতি নুরুল হক নুর, সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হাসান, উচ্চতর পরিষদের সদস্য আবু হানিফ, শাকিল উজ্জামান, শহিদুল ইসলাম ফাহিম ও অ্যাডভোকেট সরকার নূরে এরশাদ সিদ্দিকী।
লিখিত বক্তব্যে রাশেদ খান বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০১৮ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ছাত্র ও গণঅধিকার পরিষদের লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাসই মূলত গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমি। কিন্তু সেই বাস্তবতা পুরোপুরি উপেক্ষা করে মিথ্যা ইতিহাসের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে জুলাই ঘোষণাপত্র। তিনি অভিযোগ করেন, এটি পরিকল্পিতভাবে ইতিহাস বিকৃতির অংশ। এতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মিথ্যা ইতিহাস শিখবে, যেমনটি ১৯৭১ সালের ইতিহাস নিয়েও হয়েছে।
রাশেদ খাঁন আরও বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রের ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, আওয়ামী ফ্যাসিবাদী বাহিনী এক হাজার মানুষকে হত্যা করেছে। অথচ জাতিসংঘের তথ্য অনুসারে নিহতের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ জন। এ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কেন এক বছর ধরে ৬ শহিদের মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে পড়ে আছে? কেন গণকবরে দাফন করা শহিদদের পরিচয় আজও চিহ্নিত হয়নি?
নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন, শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড, মোদিবিরোধী আন্দোলন, বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ সেনা কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ড, আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ড—এসব গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কেন ঘোষণাপত্রে স্থান পায়নি? এ প্রশ্ন রেখে তারা বলেন, এসব আন্দোলনই তরুণদের মধ্যে বিপ্লবের বীজ বপন করেছে এবং তাদের প্রস্তুত করেছে পরিবর্তনের জন্য। কাজেই এগুলো বাদ দেওয়া মানে ইতিহাসকে গলাটিপে হত্যা করা।
তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারপ্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণকে স্বাগত জানিয়েছে গণঅধিকার পরিষদ। নুরুল হক নুর ও রাশেদ খান জানান, তাঁর ঘোষিত বিচার, সংস্কার ও নির্বাচন সংক্রান্ত রোডম্যাপ ১/১১ নিয়ে চলমান ধোঁয়াশা অনেকটাই দূর করেছে। তবে তারা মনে করেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে ঐকমত্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সংস্কার এখনই শুরু করতে হবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au