প্রথমার্ধেই দুই গোলে এগিয়ে মেসিবিহীন আর্জেন্টিনা
মেলবোর্ন, ২৮ জুন- অধিনায়ক লিওনেল মেসিকে বিশ্রামে রেখেও দাপুটে ফুটবল উপহার দিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল…
মেলবোর্ন, ১৯ অক্টোবর- যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী শনিবার অনুষ্ঠিত ‘নো কিংস’ (No Kings) কর্মসূচিতে লাখ কোটি যাচাইয়ের দাবিতে হাজারো মানুষ রাস্তা ও বিশাল জনসভায় সমবেত হয়েছে। সরকারের ‘অর্থাৎ কর্তৃত্ববৃদ্ধি’ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিবিরোধী রূপ ধারণের বিপরীতে এই সমন্বিত প্রতিবাদকে আয়োজকরা বিশাল সংগঠিত পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরেছেন; সংগঠনের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী ৫০টি রাজ্য এবং ২,৭০০টিরও বেশি স্থানে লাখ হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে।
প্রধান শহরগুলো ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, সান ফ্রান্সিসকো, জানকিনা, শিকাগো, লস অ্যাঞ্জেলেস ও অ্যাটলান্টায় দ্রুত ভিড় জমে। অনেক জায়গায় অংশগ্রহণকারীরা হলুদ রঙ, বাঁধা ব্যানার ও স্লোগান সহ চলাফেরা করেছে; সান ফ্রান্সিসকোতে সমুদ্রতটে মানুষের তৈরি বড় ‘NO KINGS’ মানব ব্যানারও দেখা গিয়েছে। স্থানীয় প্রতিবেদন অনুযায়ী কিছু র্যালিতে বক্তৃতা, সাংগীতিক কর্মসূচি এবং সুশৃঙ্খল শোভা মিছিল ছিল; আয়োজকরা শান্তিপূর্ণ আবহ বজায় রাখায় গুরুত্বারোপ করেছেন।
সমাবেশের মূল দাবি ও প্রেক্ষাপট ছিল বেসামরিক অধিকার ও বিচারপ্রক্রিয়ার স্বাধীনতা, নির্বিচার ইমিগ্রেশন রেডস এবং স্থানীয় ও যুক্তরাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে সামরিকায়িত/কঠোর নীতির বিরোধিতা। অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্যে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে নির্বাহী ক্ষমতা বাড়ানোর নানা সিদ্ধান্ত, জেনগঠন ও নাগরিক স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ এসবই ‘রাজতান্ত্রিক’ প্রবণতার লক্ষণ। একাধিক বাম তরফের রাজনীতিক এবং গণঅধিকার সংগঠন এই আন্দোলনে সমর্থন প্রকাশ করেছেন।
কয়েকটি বড় শহরে উচ্চ পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরাও উপস্থিত ছিলেন সাংসদ, গণিতজান প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দরা বক্তৃতা দিয়েছেন এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করেছেন। প্রকাশিত স্ট্রিম ও ছবিতে দেখা গেছে কিছু অনুষ্ঠানে সিনেটর বর্নি স্যান্ডার্স ও কনগ্রেস নেতারা উপস্থিত থেকে সমর্থন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে প্রশাসনসমর্থক কিছু প্রতিক্রিয়া ও সমালোচনাও এসেছিল; রিপাবলিকানের একাংশ এই বিক্ষোভকে ‘যাচাইকৃত নয়’ বা অশান্তিকর বলা অবস্থান নিয়েছে।
অধিকাংশ কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলেও কয়েকটি স্থানে নিরাপত্তা ও পর্যবেক্ষণের ইস্যু উঠেছে কিছু খবর অনুযায়ী স্থানীয় বা ফেডারেল কর্তৃপক্ষের নজরদারি ও নজরদারি প্রযুক্তি ব্যবহারের শঙ্কা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। রয়টার্স রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে অংশগ্রহণকারীরা নজরদারি ও ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। একই সঙ্গে স্থানীয় কিছু বিন্যাসে কন্টেস্ট নীতি ও পারমিট সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে চলমান বিষয়বস্তুর বিরোধ্রও দেখা গেছে।
আন্তর্জাতিকভাবেও এই আন্দোলনকে নজর দিয়েছে ইউরোপের বেশ কয়েকটি শহরে ক্ষুদ্র প্রতিবাদ সমর্থন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। আয়োজকরা বলছেন, “এই আন্দোলন আমেরিকার নাগরিকতাবোধকে রক্ষা করার আহ্বান” এবং তারা ভবিষ্যতে আরও কর্মসূচি ও অনলাইন-অ্যাকশন পরিকল্পনা করছে। No Kings আয়োজকের ওয়েবসাইটে তাদের এক আপডেটে দাবি করা হয়েছে ওরা ‘লোকতন্ত্রকে রক্ষা’ করার লক্ষ্যে বড় পরিসরে প্রত্যাশিত ফলাফল পেয়েছে।
শান্তিপূর্ণ সমাবেশে নিরাপত্তা জোরদার ছিল অনেক মেয়াদে পারমিটপ্রাপ্ত মিছিল ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে ট্রাফিক-নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছিল। তবু কয়েকটি কেন্দ্রে পুলিশের উপস্থিতি এবং ফেডারেল শক্তি মোতায়েনকে আংশিকভাবে সমালোচিত করা হয়েছে; ডেমোক্র্যাটিক নেতারা প্রশাসনকে ‘অগভীর প্রতিক্রিয়া’ দেখানো থেকে বিরত থাকতে বলেছে।
প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে হাতে-কলমে কী পরিবর্তন আসবে তা এখনই বলা কঠিন বিশ্লেষকরা মনে করিয়েছেন যে ব্যাপক জনসমর্থন রাজনৈতিক আলোচনাকে তীব্র করবে এবং কংগ্রেস, রাজ্য প্রশাসন ও গুপ্তচরখানার নীতিতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। অপরদিকে, প্রশাসন ও রিপাবলিকান চ্যানেলগুলো এই আন্দোলনকে “রাজনৈতিক কৌশল” বা “অবিশ্বস্ত” হিসেবে আখ্যা দেয়ার চেষ্টা করেছে; ফলে আগামী রাজনীতির ধারা আরও ধোঁয়াশা হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
সুত্রঃ বিবিসি
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au