ফেনীতে যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যা
মেলবোর্ন, ২৭ জুন- ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলায় জোবায়ের হোসেন পারভেজ (৩২) নামে এক যুবলীগ কর্মীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী দুই সহোদরের বিরুদ্ধে। শনিবার (২৭ জুন)…
মেলবোর্ন, ২৭ অক্টোবর- লেবাননের সাউথ এবং ইস্ট অংশে রবিবার (স্থানীয় সময়) ইসরায়েলি হামলায় তিন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন বলে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। দায়িত্বর তদন্তে বলা হয়েছে- দুইজনের মৃত্যু ঘটেছে পূর্ব বেকা (বআলবেক) অঞ্চলে, আর তৃতীয় ব্যক্তি নিহত হয়েছেন টাইরের নাকউরা এলাকায় একটি গাড়িকে আঘাত করার পর। সরকারিভাবে প্রথমিক খবর ছিল দুজন নিহত, পরে আরেকটি হামলার পরে মোট নিহত সংখ্যা তিনে পৌঁছায়।
লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকারি সূত্রগুলো বলেছে যে, বআলবেকের নবি শীত (Nabi Sheet / Nabi Chit) এলাকা ও আরেকটি কাছে সংঘটিত আঘাতে অন্তত দুইজন নিহত হয় এবং আল-হাফির নামক স্থানে একটি হামলায় সিরিয়ান নাগরিকও নিহত হয়েছেন, আর একজন আহত হয়েছেন। দক্ষিণ অঞ্চলের নাকউরা-নাৎক্তার হামলায় একটি গাড়িতে আঘাত হানার খবরও ছিল; স্থানীয় কর্মকর্তারা এটিকে “ইসরায়েলি শত্রু পদক্ষেপ” বলে অভিহিত করেছেন।
ইসরায়েলি সামরিক সূত্রগুলো দাবি করেছে যে ওই আক্রমণগুলোর লক্ষ্য ছিল ইরান সমর্থিত শিয়া সংগঠন হেজবোল্লাহর সদস্যরা এবং তাদের নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুসমূহ। জেরুজালেমের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে তারা সশস্ত্র মিলিশিয়াদের কার্যক্রম ও সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করেছে-তবে স্থানীয় সরকার ও কিছু স্বাধীন পর্যবেক্ষক হামলাগুলোতে সাধারণ নাগরিকও হতাহত হয়েছে বলে বিবৃতি দিয়েছে। ইসরায়েলের বুদ্ধিমত্তা ও সামরিক দাবির বিষয়ে স্বতন্ত্রভাবে যাচাই চলছে।
এই হামলা-ঘটনার প্রেক্ষিতে লেবাননের সরকারি কর্মকর্তারা ও রাজনীতিকরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। দেশটির কিছু সূত্র ইউএন ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ঘটনা সম্পর্কে অবহিত করেছে এবং ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা রক্ষায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের আহ্বান জানানো হয়েছে। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোও গত কয়েক মাস ধরেই লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলার কারণে বেসামরিক জনগণের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে; ইউএন হিউম্যান রাইটস অফিস স্বাধীন ও স্বশরীরে তদন্তের ডাক দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন-নিহতদের সংখ্যা যতই হোক, এই ধরনের হামলা সাম্প্রতিককালে বিদ্যমান নড়েচড়ে দাঁড়ানো অস্হিরতা ও ভঙ্গুর নকশারই অংশ। ২০২৪ সালের নভেম্বরে মধ্যস্থতায় ঘটে যাওয়া আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতির পরও সীমান্ত-সীমান্তে ছোট ছোট আঘাত এবং ড্রোন–বোমা নিক্ষেপের ঘটনাগুলো বন্ধ হয়নি; ফলশ্রুতিতে হাজারো লোক অস্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং মানবিক অবস্থা বিস্ময়করভাবে খারাপ হয়েছে। এই পরিস্থিতি নতুন উত্তেজনা বা প্রতিকারহীন তীব্র সংঘর্ষে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা জাগায়।
মৃত্যুর তথ্য লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি থেকে সংগৃহীত। ইসরায়েলি বিবৃতি অনুযায়ী হামলার লক্ষ্য ছিল হেজবোল্লাহর সদস্যদের ওপর। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো লেবাননে বেসামরিক হতাহতের বিষয়ে বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং নিরপেক্ষ তদন্তের ডাক দিয়েছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au