, প্রিন্স অ্যান্ড্রু। ছবিঃ রয়টার্স
মেলবোর্ন, ৩১ অক্টোবর- বাকিংহাম প্যালেস আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, প্রিন্স অ্যান্ড্রু আর ‘প্রিন্স’ উপাধি ব্যবহার করতে পারবেন না এবং তাঁকে রয়্যাল লজ ত্যাগ করতে হবে। এখন থেকে তাঁর নতুন নাম হবে অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইনসর।
৬৫ বছর বয়সী অ্যান্ড্রুর বাকি থাকা সব রাজকীয় উপাধি ও মর্যাদা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি এসেছে কয়েক সপ্তাহ পর, যখন তাঁর বিরুদ্ধে যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগ পুনরায় আলোচনায় আসে।
অ্যান্ড্রুকে ইংল্যান্ডের নরফোকে অবস্থিত স্যান্ড্রিংহ্যাম এস্টেটে স্থানান্তর করা হবে, যা রাজা চার্লসের দুটি ব্যক্তিগত সম্পত্তির একটি।
তবে তাঁর দুই কন্যা, প্রিন্সেস ইউজিনি এবং প্রিন্সেস বিট্রিস, তাঁদের রাজকীয় উপাধি ধরে রাখবেন, কারণ তাঁরা রাজা (সোভরেন)-এর পুত্রের কন্যা। এটি ১৯১৭ সালে রাজা জর্জ পঞ্চমের ঘোষিত রাজকীয় চিঠিপত্র (Letters Patent)-এর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ।
প্রিন্স অ্যান্ড্রু বরাবরই তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছেন।
বাকিংহাম প্যালেসের পূর্ণ বিবৃতিতে বলা হয়েছে: “আজ মহামান্য রাজা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রিন্স অ্যান্ড্রুর উপাধি, মর্যাদা ও সম্মান বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। এখন থেকে তিনি অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন উইনসর নামে পরিচিত হবেন। রয়্যাল লজে তাঁর লিজ এখন পর্যন্ত তাঁকে সেখানে বসবাসের আইনি সুরক্ষা দিচ্ছিল। তবে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে সেই লিজ বাতিলের নোটিশ দেওয়া হয়েছে এবং তাঁকে বিকল্প ব্যক্তিগত আবাসনে স্থানান্তর করা হবে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো তিনি অস্বীকার করলেও, এই পদক্ষেপগুলো প্রয়োজনীয় বিবেচনা করে নেওয়া হয়েছে। রাজা ও রানি সকল প্রকার নির্যাতনের শিকার ও বেঁচে থাকা ব্যক্তিদের প্রতি তাঁদের সমবেদনা ও সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।”
প্রিন্স অ্যান্ড্রুর নতুন বাসস্থান হবে স্যান্ড্রিংহ্যাম এস্টেটের একটি বাড়ি, যেখানে রাজপরিবার সাধারণত বড়দিন উদ্যাপন করে। তাঁর এই নতুন আবাসনের খরচ ব্যক্তিগতভাবে বহন করবেন রাজা চার্লস।
সম্প্রতি ধারণা করা হচ্ছিল যে, প্রিন্স অ্যান্ড্রু উইন্ডসরের ফ্রগমোর কটেজে উঠবেন। তবে সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁকে রাজপরিবারের কেন্দ্রীয় জীবনযাত্রা থেকে আরও দূরে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।