ডেঙ্গুতে আরও ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ৪৯২
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছেই। গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৪৯২ জন।…
মেলবোর্ন, ২ নভেম্বর- গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতির পর ব্যাংকগুলো খোলা শুরু করলেও সেখানে নগদ অর্থের তীব্র সংকট রয়ে গেছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। ব্যাংকে লেনদেন করার জন্য সারিতে দাঁড়িয়ে এসে বহু গ্রাহকই হতাশ হয়ে ঘরে ফিরে যাচ্ছেন কারণ শাখাগুলোতে সরবরাহযোগ্য ব্যাংকনোট নেই।
দুই বছরের সংঘর্ষে অনেক ব্যাংক শাখা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি গত দুই বছরে বাইরে থেকে নতুন কাগজি অর্থ ঢুকতে বাধা দেয়া হয়েছে,ইসরায়েল নিরাপত্তাজনিত কারণে ব্যাংকনোট প্রবেশ সীমিত রাখায় গাজায় নগদের সরবরাহ স্থবির রয়েছে। ফলে মানুষ বাজারে খাবার ও দৈনন্দিন আড়াইষার জন্যও নগদ নিয়ে কষ্ট পাচ্ছেন।
নগদ না থাকায় বিকল্প পথ হিসেবে কেষ্টা হচ্ছে অনলাইন পেমেন্ট বা মধ্যস্বত্বভোগীদের (ব্রোকারদের) সহায়তা কিন্তু তারা ব্যাংকব্যাংকে টাকা তুলতে বাড়তি কমিশন নেয়; তদন্তে দেখা গেছে কখনও কখনও নিজেদের টাকার জন্য ৩০–৪০ শতাংশ পর্যন্ত ফি দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের। এতে দরিদ্র পরিবারগুলোর ক্রয়ক্ষমতা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
অর্থনীতিবিদ ও তত্ত্বাবধায়করা সতর্ক করে বলছেন, নগদ স্বল্পতা শুধু বাজারে কেনাকাটা বাধাপ্রাপ্ত করছে না,এটি কর্মসংস্থান, ব্যবসা পুনরুদ্ধার ও মানবিক সহায়তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করছে। টাকার ঘাটতি হলে সরকারি প্রতিষ্ঠানও স্যালারি প্রদান ও সার্ভিস চালাতে সমস্যায় পড়বে, এবং অপ্রতুল নগদ পর্যায়ে লোকেরা অনানুষ্ঠানিক ও কালোবাজারে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
স্থানীয় প্রবীণরা-যারা ব্যাংকে আসেন বলছেন, শাখাগুলোতে কেবল কাগজপত্রের লেনদেন হচ্ছে; নগদ তোলা যাচ্ছে না। অনেকেই পুরনো ও ছিঁড়ে যাওয়া নোট ছেঁটে সারিয়ে ব্যবহার করার কথাও বলেছেন, কারণ নতুন নোট মেলায় না। প্রশাসন ও ফেরতদাতা পক্ষগুলোর সঙ্গে আন্তর্জাতিক সংস্থাদের সমন্বয় না হলে গাজার এই নগদ সংকট দ্রুত সমাধান হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেও গাজার সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কাটেনি,নগদ অর্থের তীব্র অভাব নতুন মানবিক সংকট সৃষ্টি করেছে। তাত্ত্বিক সমাধান হিসেবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, ত্রাণ সংস্থা ও ইসরায়েলের মধ্যে সমন্বিতভাবে ব্যাংকনোট সরবরাহ এবং নিরাপদ অর্থপ্রবাহ পুনরায় চালুর তৎপরতা প্রয়োজন।
সুত্রঃ রয়টার্স
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au