যুক্তরাষ্ট্রে ১৩২ বছরের রেকর্ড ভেঙে সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্ম, ইউরোপেও উষ্ণতম আগস্ট
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড রাখা শুরুর পর ১৩২ বছরের মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ গ্রীষ্ম পার হয়েছে। জুন থেকে আগস্ট…
মেলবোর্ন, ২ নভেম্বর- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছেন যে, যদি নাইজেরিয়ার সরকার খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের ওপর চলমান হামলা ও হত্যাকাণ্ড বন্ধ না করে, তাহলে তিনি সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন। ট্রাম্পের এই বক্তব্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে সরাসরি উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ট্রাম্প বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ দেবেন “প্রয়োজনীয় দ্রুত পদক্ষেপ নিতে”, যাতে নাইজেরিয়ায় খ্রিস্টানদের ওপর হামলার ঘটনা বন্ধ করা যায়। পাশাপাশি, তিনি দেশের সব বিদেশি সাহায্যও তাত্ক্ষণিকভাবে বন্ধ করার কথা বলেছেন। ট্রাম্প বলেন, “যদি নাইজেরিয়ার সরকার খ্রিস্টানদের হত্যা থামায় না, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারে।”
নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান জঙ্গি হামলা এবং কৃষক-বিশেষ সম্প্রদায়ের মধ্যে সংঘর্ষের কারণে খ্রিস্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর সহিংসতা বেড়েছে। ট্রাম্পের হুমকির উদ্দেশ্য মূলত এই সহিংসতা রোধ করা এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলা আহমেদ টিনুবু এই হুমকির প্রেক্ষাপটে জানিয়েছেন, “আমাদের সংবিধান সকল ধর্মের অধিকার রক্ষা করে এবং ধর্মীয় সহনশীলতা আমাদের জাতীয় পরিচয়ের মূল অংশ।” তিনি আশ্বস্ত করেছেন যে নাইজেরিয়া সকল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্পের হুমকি আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং মানবাধিকার সংক্রান্ত চাপ বৃদ্ধির একটি অংশ, যা নাইজেরিয়ার সরকারের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে নাইজেরিয়ার অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হওয়ায় শুধু বিদেশি হুমকি দ্বারা তা সমাধান সম্ভব নয়।
সরকারি ও অসরকারি সংস্থাগুলো ইতিমধ্যেই খ্রিস্টান সম্প্রদায় এবং অন্যান্য সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চালু করেছে। আন্তর্জাতিকভাবে এই বিষয়টি নজরদারির মধ্যে রয়েছে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির পর।
সূত্র : সিএনএন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au