নেপালের সেই সুড়ঙ্গে আর কেউ বেঁচে নেই:কাদায় চাপা পড়েছে সব, ভেঙেছে ছাদও
নেপালের ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের যে সুড়ঙ্গ থেকে শুক্রবার দুই শ্রমিককে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল, সেখানে আর কেউ বেঁচে নেই বলে নিশ্চিত হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। সুড়ঙ্গের শেষ…
মেলবোর্ন, ২ ডিসেম্বর-
শতবর্ষী এক মহীরুহ, যিনি
আমার দাদু-মায়ের বাবা,
“শ্রী প্রিয়তোষ ভট্টাচার্য্য”।
গত ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে- তাঁর প্রাক্তন ছাত্রছাত্রী, সহকর্মী ও পরিবারের সদস্যদের উদ্যোগে পালিত হলো তাঁর জন্ম শতবর্ষ উদযাপন। সবাই মিলে তাকে নিয়ে স্মৃতিচারন করলেন এবং তাঁকে সম্মাননা প্রদান করলেন। বিশেষ করে শিক্ষকের প্রতি ছাত্র ছাত্রীদের প্রানের আকুল আবেদন তাদের স্যার কে সম্মাননা প্রদান করা, তা সত্যি চোখে পড়ার মত। আজকাল আর এসব ভাবা যায় না। এমন ছাত্র শিক্ষক বন্ধন এ যুগে আর হবে না।
১৯২৫ সালের ২০শে নভেম্বর, বৃহত্তর চট্টগ্রাম বিভাগের বাঁশখালী উপজেলার জলদি গ্রামে তাঁর জন্ম। ছোট্ট গ্রামের পথ পেড়িয়ে শিক্ষার প্রতি অফুরান্ত আগ্রহ তাঁকে নিয়ে আসে বরিশালের বার্থী গ্রামে। এখানে বাকাই সংস্কৃত টোলে তিনি সংস্কৃত নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। শিক্ষাজীবন শেষ হবার আগেই তিনি যোগ দেন বার্থী তাঁরা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সংস্কৃত শিক্ষক হিসেবে।
সেই থেকেই বার্থী গ্রাম সহ গৌরনদী উপজেলা এবং আশপাশের মানুষের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন প্রিয় “পণ্ডিত স্যার”। শুধু শিক্ষক নয়, তিনি ছিলেন একজন পথপ্রদর্শক, জ্ঞানের আলো ছড়ানোর এক নির্মল মানুষ। জীবনের সবচেয়ে বড় সময়টাই তিনি কাটিয়েছেন এই শান্ত বার্থী গ্রামে, মানুষের ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় বেষ্টিত হয়ে।
চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি এখানেই থেকেছেন—তার স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে। বয়স শতবর্ষ ছুঁলেও তাঁর ব্যক্তিত্ব, আন্তরিকতা ও মানসিক দৃঢ়তা আজও সবার অনুপ্রেরণা।
আমি গর্বিত যে আজও আমার মাথার উপর দাদুর আশীর্বাদের ছায়া রয়েছে। ভগবান তাঁকে সুস্থ রাখুন- এই একটাই প্রার্থনা আমার।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au