মেলবোর্ন ১৭ ডিসেম্বর- বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকা, সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে জামানত ছাড়াই বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়া এবং আয়ের নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় বিদ্যুৎ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় কোম্পানিটির সিলেটের বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি মূলত সহযোগী কোম্পানির আয়ের ওপর নির্ভর করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
২০২৩–২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস জানিয়েছে, বারাকা পাওয়ার তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ১৫৫ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৭ টাকা ঋণ দিয়েছে। ঋণসংক্রান্ত নথিপত্র দুর্বল হওয়ায় এই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটির নতুন বিনিয়োগ সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে মত দিয়েছেন নিরীক্ষক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিপিডিবির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত বারাকা পাওয়ারের ৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে। চুক্তির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হলেও এখনো অনুমোদন দেয়নি বিপিডিবি। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে বর্তমানে কোনো আয় হচ্ছে না, যা কোম্পানির জন্য বড় ধরনের আর্থিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
এদিকে কোম্পানিটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড ধারাবাহিক লোকসানে রয়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে ৬৮ কোটি ৯১ লাখ টাকায়। পাশাপাশি নিরীক্ষার সময় বারাকা পাওয়ারের সম্পদ ব্যবস্থাপক স্থায়ী সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও বিবরণী সরবরাহ করতে না পারায় আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪–২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। ওই বছরে বারাকা পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) নেমে এসেছে ৩৬ পয়সায়, যেখানে আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৩ পয়সা।
তবে সর্বশেষ প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫–২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে ১৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই প্রান্তিকে ছিল ১২ পয়সা। একই সময় শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮১ পয়সায়।
সব মিলিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, ঋণঝুঁকি এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানের লোকসান বারাকা পাওয়ারের সামগ্রিক ব্যবসায়িক অবস্থানকে চাপে ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ থাকা, সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে জামানত ছাড়াই বড় অঙ্কের ঋণ দেওয়া এবং আয়ের নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় বিদ্যুৎ খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি বারাকা পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছে নিরীক্ষক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় কোম্পানিটির সিলেটের বিদ্যুৎকেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। ফলে বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি মূলত সহযোগী কোম্পানির আয়ের ওপর নির্ভর করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।
২০২৩–২৪ অর্থবছরের নিরীক্ষা প্রতিবেদনে কাজী জহির খান অ্যান্ড কোং, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস জানিয়েছে, বারাকা পাওয়ার তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে কোনো ধরনের জামানত ছাড়াই ১৫৫ কোটি ৩২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৭ টাকা ঋণ দিয়েছে। ঋণসংক্রান্ত নথিপত্র দুর্বল হওয়ায় এই অর্থ ফেরত পাওয়া যাবে কিনা, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। এর ফলে কোম্পানিটির নতুন বিনিয়োগ সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে বলে মত দিয়েছেন নিরীক্ষক।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বিপিডিবির সঙ্গে বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত বারাকা পাওয়ারের ৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে। চুক্তির মেয়াদ আরও পাঁচ বছর বাড়ানোর জন্য আবেদন করা হলেও এখনো অনুমোদন দেয়নি বিপিডিবি। এর ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি থেকে বর্তমানে কোনো আয় হচ্ছে না, যা কোম্পানির জন্য বড় ধরনের আর্থিক অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
এদিকে কোম্পানিটির সহযোগী প্রতিষ্ঠান বারাকা ফ্যাশন লিমিটেড ধারাবাহিক লোকসানে রয়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের পুঞ্জীভূত লোকসান দাঁড়িয়েছে ৬৮ কোটি ৯১ লাখ টাকায়। পাশাপাশি নিরীক্ষার সময় বারাকা পাওয়ারের সম্পদ ব্যবস্থাপক স্থায়ী সম্পদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ও বিবরণী সরবরাহ করতে না পারায় আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪–২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। ওই বছরে বারাকা পাওয়ারের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) নেমে এসেছে ৩৬ পয়সায়, যেখানে আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ১ টাকা ১২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৬৩ পয়সা।
তবে সর্বশেষ প্রকাশিত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি ২০২৫–২৬ হিসাব বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই–সেপ্টেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় হয়েছে ১৮ পয়সা, যা আগের বছরের একই প্রান্তিকে ছিল ১২ পয়সা। একই সময় শেষে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২ টাকা ৮১ পয়সায়।
সব মিলিয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্রের অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, ঋণঝুঁকি এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠানের লোকসান বারাকা পাওয়ারের সামগ্রিক ব্যবসায়িক অবস্থানকে চাপে ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।