ধর্ম অবমাননার মামলায় পডকাস্ট উপস্থাপক রেহান তারিকের জামিন মঞ্জর
মেলবোর্ন, ২২ জুলাই: পাকিস্তানের লাহোরের একটি সেশনস আদালত মঙ্গলবার ধর্ম অবমাননা আইন ও প্রিভেনশন অব ইলেকট্রনিক ক্রাইমস অ্যাক্ট (পেকা), ২০১৬-এর অধীনে দায়ের করা মামলায় পডকাস্ট…
মেলবোর্ন, ২৮ ডিসেম্বর- দীর্ঘ ১৬ বছর পর আবারও অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ফিরছে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা। রোববার সারাদেশে একযোগে শুরু হতে যাওয়া এই পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শিক্ষার্থী। চার দিনব্যাপী এই আয়োজন দেশের ৬১১টি কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনার মধ্য দিয়ে সম্পন্ন করতে প্রস্তুত শিক্ষা বোর্ডগুলো।
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, এবছর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে মোট ৩ লাখ ৪৬ হাজার ৫৯১ জন শিক্ষার্থী। দীর্ঘ বিরতির পর প্রথমবারের মতো এই পরীক্ষা আয়োজনকে ঘিরে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, মুদ্রণ, বিতরণ ও কেন্দ্র ব্যবস্থাপনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। রোববার সকাল ১০টায় পরীক্ষা শুরু হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় মোট পাঁচটি বিষয়ে মূল্যায়ন করা হবে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে ১০০ নম্বর করে এবং বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে পরীক্ষা নেওয়া হবে। সব মিলিয়ে মোট ৪০০ নম্বরের ওপর এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত পরীক্ষা চলবে। সূচি অনুযায়ী, রোববার বাংলা, সোমবার ইংরেজি, মঙ্গলবার গণিত এবং বুধবার বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের জন্য আলাদাভাবে দেড় ঘণ্টা করে সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে ওই দিন মোট তিন ঘণ্টা পরীক্ষা হবে।
শিক্ষা বোর্ডগুলো জানিয়েছে, পরীক্ষার সব প্রশ্ন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড প্রণীত অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ের আলোকে তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীরা নির্ধারিত আটটি মডেলের নন–প্রোগ্রামেবল সায়েন্টিফিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারবে। এর বাইরে কোনো প্রোগ্রামেবল ক্যালকুলেটর বা নিষিদ্ধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক দায়িত্ব পালন করবেন। কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে এবং মোবাইল ফোনসহ সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৯ সালে অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। পরে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা চালু হলেও সমালোচনার মুখে ২০২৩ সালে তা বাতিল করা হয়। ২০২৪ সালেও কোনো বৃত্তি বা পাবলিক পরীক্ষা হয়নি। এবছর দীর্ঘ বিরতির পর আবারও অষ্টম শ্রেণিতে মেধা যাচাইয়ের এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ফিরছে শিক্ষার্থীরা।
নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থী জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে। ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ এই দুই ধরনের বৃত্তিতে ছাত্র ও ছাত্রীর জন্য সমান সুযোগ রাখা হয়েছে। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বরাদ্দ থাকবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au