অবসরের সময়সীমা জানালেন রোনালদো, শেষ হতে পারে ২০২৬ সালেই
মেলবোর্ন, ১৮ আগষ্টঃ বর্ণাঢ্য ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে এসে অবসরের সময়সীমার ইঙ্গিত দিয়েছেন পর্তুগিজ মহাতারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড জানিয়েছেন, ২০২৬ সালই হতে…
মেলবোর্ন,৬ মে- টাঙ্গাইল শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে আয়োজিত বিসিক শিল্প মেলায় মহান মুক্তিযুদ্ধের সাত বীরশ্রেষ্ঠের আবক্ষ ভাস্কর্যের গলায় দড়ি বেঁধে প্যান্ডেল টানানোর ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটির ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়।
জানা গেছে, গত ২৪ এপ্রিল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মেলার উদ্বোধন করেন। ৩ মে পর্যন্ত চলা এই মেলার শেষ দিকে প্রকাশ পায় ভাস্কর্যগুলোর প্রতি অবমাননাকর আচরণের দৃশ্য।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্যের গলায় দড়ি বেঁধে সেই দড়িতে মেলার স্টলের বাঁশ বেঁধে রাখা হয়। শুধু তাই নয়, ভাস্কর্যের পাশেই ময়লার স্তূপ দেখা যায়, যা পুরো পরিস্থিতিকে আরও দৃষ্টিকটু করে তোলে। অনেকেই এটিকে জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি চরম অসম্মান হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মাওলানা ভাসানীর দৌহিত্র আজাদ খান ভাসানী। তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের বীরদের স্মৃতিচিহ্নের এমন অবহেলা লজ্জাজনক এবং তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব।
এছাড়া টাঙ্গাইল জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আল আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “যাদের রক্তে দেশ স্বাধীন হয়েছে, তাদের গলায় দড়ি বেঁধে মেলা করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”
চলচ্চিত্র অভিনেতা মীর নাসিমুল হকও এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করে বলেন, এটি কেবল অব্যবস্থাপনা নয়, বরং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও শহীদদের প্রতি চরম অসম্মান। একই সুরে কবি ও কলামিস্ট এনায়েত করিম বলেন, এমন আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং দ্রুত দায়ীদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এদিকে বিসিক টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক শাহনাজ বেগম জানান, মেলার কয়েকদিন পর এই ঘটনা ঘটে এবং বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই দড়ি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কে বা কারা এই কাজ করেছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সচেতন মহল বলছে, বীরশ্রেষ্ঠদের ভাস্কর্য শুধু স্থাপনা নয়, বরং জাতির গৌরব ও আত্মত্যাগের প্রতীক। সেগুলোর প্রতি অবহেলা বা অসম্মান কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্টদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া জরুরি।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au