মিটার-সংযোগ ছাড়াই গ্রাহকের নামে এলো ৬৯২ টাকার বিদ্যুৎ বিল
জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুতের নতুন মিটার স্থাপন কিংবা সংযোগ দেওয়ার আগেই এক গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিল তৈরি হয়েছে। আগস্ট মাসের ওই বিল দেখে বিস্মিত হয়েছেন…
মেলবোর্ন, ২৬ মে- আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি প্রযুক্তির ব্যবহারেও দেখা যাবে বড় পরিবর্তন। ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বল ‘ট্রিওন্ডা’ হবে সম্পূর্ণ স্মার্ট প্রযুক্তিনির্ভর, যা ব্যবহার করতে হলে ম্যাচের আগে চার্জ দিতে হবে। উন্নত সেন্সর ও রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণ সুবিধাসম্পন্ন এই বলকে ঘিরে ইতোমধ্যেই ফুটবল বিশ্বে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই বিশেষ বল। ‘ট্রিওন্ডা’ নামটি এসেছে তিনটি আয়োজক দেশের ধারণা থেকে। বলটির নকশা ও রঙেও রাখা হয়েছে তিন দেশের সাংস্কৃতিক ও ভৌগোলিক পরিচয়ের ছাপ।
বিশ্বকাপের এই নতুন বলে যুক্ত করা হয়েছে অত্যাধুনিক ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’। এতে থাকা ৫০০ হার্টজ গতির মোশন সেন্সর প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ বার তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। ফলে বলের গতি, স্পর্শ, ঘূর্ণন, দিক পরিবর্তন এবং অবস্থান রিয়েল টাইমে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রযুক্তি ম্যাচ পরিচালনায় রেফারিদের আরও দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে। বল থেকে সংগৃহীত তথ্য সরাসরি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি বা ভিএআর সিস্টেমে পাঠানো হবে। একই সঙ্গে স্টেডিয়ামে থাকা ট্র্যাকিং ক্যামেরার তথ্যের সঙ্গে সমন্বয় করে ম্যাচের ত্রিমাত্রিক বিশ্লেষণও করা হবে।
এর মাধ্যমে অফসাইড, হ্যান্ডবল, ফাউল কিংবা বল মাঠের বাইরে গেছে কি না, সে ধরনের সূক্ষ্ম সিদ্ধান্ত আরও নিখুঁতভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে অফসাইডের ক্ষেত্রে খেলোয়াড় বল স্পর্শ করার সঠিক মুহূর্ত শনাক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই সেন্সর প্রযুক্তি।
বলটির ভেতরে ব্যবহৃত চিপের ওজন প্রায় ১৪ গ্রাম। এটি এমনভাবে স্থাপন করা হয়েছে যাতে বলের ভারসাম্য বা খেলায় কোনো প্রভাব না পড়ে। এমনকি খেলোয়াড়রাও মাঠে এর উপস্থিতি টের পাবেন না বলে জানিয়েছেন নির্মাতারা।
স্মার্টফোন বা স্মার্টওয়াচের মতোই ‘ট্রিওন্ডা’ বলটি চলবে রিচার্জেবল ব্যাটারিতে। একবার পূর্ণ চার্জ দিলে প্রায় ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে, যা একটি পূর্ণ ম্যাচ পরিচালনার জন্য যথেষ্ট।
ফুটবলে এর আগেও কানেক্টেড বল প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপেও সীমিত আকারে এ প্রযুক্তি দেখা গিয়েছিল। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘ট্রিওন্ডা’ আরও উন্নত, দ্রুত এবং ম্যাচ পরিচালনা ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে সংযুক্ত প্রযুক্তি নিয়ে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au