অবশেষে প্রকাশিত হচ্ছে সোনিয়া গান্ধীর বহুলপ্রতীক্ষিত স্মৃতিকথা
দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বহুল আলোচিত স্মৃতিকথা ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’। পাণ্ডুলিপি নিয়ে মতভেদের কারণে ভারতের অন্যতম…
মেলবোর্ন, ২৪ জুন- অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া অঙ্গরাজ্যের বিরোধী দল লিবারেল পার্টির এক সংসদ সদস্য (এমপি) নিজেরই দলীয় সহকর্মীর বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ এনে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে নেমেছে ভিক্টোরিয়া পুলিশ। তবে অভিযুক্ত এমপি অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন এবং অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার বিষয়েও আইনি পরামর্শ নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
অস্ট্রেলীয় সংবাদমাধ্যম এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানে এক লিবারেল এমপি আরেক সহকর্মীর হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত বা হামলার শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন। পরে তিনি বিষয়টি ভিক্টোরিয়ার বিরোধীদলীয় নেতা জেস উইলসনের কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ হিসেবে উত্থাপন করেন।
এরপর গত ১৬ জুন অভিযোগকারী এমপি ভিক্টোরিয়া পুলিশের কাছেও বিষয়টি জানান। পুলিশ এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা একে অপরের পরিচিত।
পুলিশের মুখপাত্র জানান, ঘটনাটি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে। এ কারণে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না।
অন্যদিকে অভিযুক্ত এমপি দাবি করেছেন, পুলিশ এখন পর্যন্ত তার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। তিনি অভিযোগকে ‘মিথ্যা’ বলে উল্লেখ করে জানিয়েছেন, নিজের সুনাম রক্ষায় তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছেন।
এদিকে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এবিসি সেই ফুটেজ দেখেছে বলে জানিয়েছে। তবে ভিডিওতে কোনো ধরনের হামলা বা শারীরিক আক্রমণের দৃশ্য স্পষ্টভাবে দেখা যায়নি।
ঘটনাটি সামনে আসার পর ভিক্টোরিয়া লিবারেল পার্টির ভেতরে নতুন করে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। দলের অনেক সদস্য ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, সরকার গঠনের সম্ভাবনা সামনে থাকলেও দল আবারও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব ও কোন্দলে জড়িয়ে পড়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অঙ্গরাজ্যের নির্বাচন আর মাত্র কয়েক মাস দূরে। এমন সময়ে দলীয় সংসদ সদস্যদের মধ্যে প্রকাশ্য বিরোধ ও অভিযোগ লিবারেল পার্টির ভাবমূর্তির জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।
এ ঘটনায় বিরোধীদলীয় নেতা জেস উইলসনের কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি। একইভাবে অভিযোগকারী ও অভিযুক্ত দুই এমপিও গণমাধ্যমের কাছে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ভিক্টোরিয়া পুলিশ। বর্তমানে পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক মহল ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সুত্রঃএবিসি নিউজ
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au