রাজশাহীর পবায় শিশুকে যৌন হয়রানির অভিযোগে জামায়াতের রোকন আটক
মেলবোর্ন,০১আগস্ট: রাজশাহীর পবা উপজেলায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকন্যাকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ওমর ফারুক নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি জামায়াতে ইসলামীর বড়গাছি ইউনিয়নের একটি…
মেলবোর্ন, ৩১ জুলাই: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) যৌন হয়রানির অভিযোগে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামকে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মো. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৩৭তম সিন্ডিকেট সভায় এ দুটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভা শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. এস. এম. মাহবুবুর রহমান।
তিনি জানান, যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের ২৩ ও ২৪ নম্বর মামলার তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে সিন্ডিকেট অধ্যাপক ড. মো. রুবেল আনসারের বিরুদ্ধে পৃথক একটি স্বাধীন উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি যৌন হয়রানি নিরোধকেন্দ্রের তদন্ত কমিটি নয়; বরং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের গঠিত একটি স্বতন্ত্র তদন্ত কমিটি।
রেজিস্ট্রার জানান, কমিটিতে দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য, একজন অভিজ্ঞ আইনজীবী, বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের লিগ্যাল সেলের পরিচালক সদস্য হিসেবে থাকবেন। কমিটিকে ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, যৌন হয়রানির অভিযোগের তদন্ত ও সুপারিশের ভিত্তিতে অধ্যাপক মো. রেজাউল ইসলামকে চাকরি থেকে অপসারণের সিদ্ধান্তও সিন্ডিকেট সভায় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং বিজয় ‘২৪ হলের নারী ওয়াশরুমে গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে এক ক্যান্টিনকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে কয়েক দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা।
দাবি আদায়ে তারা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের কর্মসূচি পালন করেন। পরে প্রশাসনের সঙ্গে একাধিক বৈঠকেও সন্তোষজনক অগ্রগতি না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেন।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সর্বশেষ সিদ্ধান্তকে চলমান আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশ এবং শিক্ষার্থীদের অন্যান্য দাবি বাস্তবায়নের ওপর আন্দোলনের পরবর্তী কর্মসূচি নির্ভর করবে।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au