তিন কাউন্সিলর নিয়েই ইংরেজবাজার পুরসভা বিজেপির দখলে
মালদহ জেলা পরিষদের পর এবার ইংরেজবাজার পুরসভাও দখলে নিল বিজেপি। বুধবার চেয়ারম্যান নির্বাচনের ভোটাভুটিতে বিজেপি প্রার্থী অম্লান ভাদুড়িকে সমর্থন করেন তৃণমূল থেকে ‘নির্দল’ হওয়া ১১…
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক সমঝোতার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন বাংলাদেশের সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তবে এ ধরনের প্রক্রিয়া শুরুর আগে দলটিকে নিজেদের কর্মকাণ্ডের দায় স্বীকার করতে হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
জাহেদ উর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমঝোতার প্রাথমিক পরিবেশ তৈরি করা গেলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে। তবে বর্তমানে এ উদ্যোগ নেওয়ার মতো মৌলিক পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কারণ, আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য এখনো কোনো ‘অনুশোচনা’ প্রকাশ করেনি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সক্রিয় কর্মী ও সমর্থকদের সঙ্গে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া খারাপ কোনো ধারণা নয়। বরং এমন উদ্যোগ নেওয়া হলে তা ভালো হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কেউ যদি মাঝামাঝি অবস্থান থেকে সমঝোতার উদ্যোগকে ভালো মনে করেন, তাহলে আমিও মনে করি এটি একটি ভালো উদ্যোগ।’
সমঝোতার বিষয়ে মধ্যস্থতাকারীদের প্রথমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন সরকারের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘তাদের আওয়ামী লীগের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত। সমঝোতা প্রক্রিয়া শুরুর জন্য দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে প্রাথমিক ভিত্তি তৈরি করতে হবে। সেটি নিশ্চিত করা গেলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে।’
তবে ‘মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা কেউ’ বলতে তিনি কাকে বোঝাচ্ছেন, তা স্পষ্ট করেননি জাহেদ।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে অনুশোচনার কোনো লক্ষণ না থাকাকেই বর্তমানে সমঝোতার প্রধান বাধা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি। ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের সময় তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সহিংস দমন-পীড়নের প্রসঙ্গ তুলে তিনি এ মন্তব্য করেন।
ওই গণআন্দোলনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর শেখ হাসিনা ভারতে চলে যান। পরে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয় এবং প্রায় ১৮ মাস দেশ পরিচালনা করে।
শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে অন্তর্বর্তী সরকার এবং বর্তমান সরকার বিভিন্ন সময়ে ভারতের কাছে তার ‘প্রত্যর্পণ’ দাবি করেছে।
গত আগস্টে শেখ হাসিনা জানিয়েছিলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে তিনি স্বেচ্ছায় দেশে ফিরতে প্রস্তুত। পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া বিভিন্ন সাক্ষাৎকারেও তিনি একই অবস্থানের কথা জানিয়েছেন।
স্বত্ব © ওটিএন বাংলা - 2026 | গোপনীয়তা নীতিমালা | ব্যবহারের নীতিমালা | সম্পাদকীয় নীতিমালা | Proudly Developed by @SSB it.au